ঢাকা ০৪:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বের অন্যতম কঠোর আইন: যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিনিধির নাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ এপ্রিল ২০২৩ ১২৮ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্র মনে করে যে বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বের অন্যতম কঠোর আইন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের প্রধান উপ-মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল ওয়াশিংটনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেছেন। মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ব্রিফিংয়ের সর্বশেষ অবস্থান তুলে ধরার সময় তার এই বক্তব্য প্রকাশ করা হয়।

মানবাধিকার লঙ্ঘন কারীদের জবাবদিহি করতে হবে বলে আবারো উল্লেখ করে বেদান্ত প্যাটেল বলেছেন, ‘বিস্তৃতভাবে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ এবং সারা বিশ্বে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের নীতিকে সমর্থন করে; তবে আমি এখানে কোনো রাজনৈতিক প্রার্থী বা দল বনাম অন্য রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীকে সমর্থন করতে আসিনি।’

প্যাটেল বলেন, ‘এটি আমাদের অনেক আশা যে বাংলাদেশ সরকার এই নিবন্ধ এবং ভিডিওর বিষয়বস্তু (র্যা বের উপর ডয়চে ভেলের ডকুমেন্টারি) খতিয়ে দেখবে।’ তিনি জানান যে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যায়ন অনুসারে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বের অন্যতম কঠোর আইন।

প্যাটেল বলেন, ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্স ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশকে ১৬২ নম্বরে স্থান দিয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় অবস্থান ১০ কমেছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা এই আইন সম্পর্কে আমাদের উদ্বেগ বেশ স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছি। একটি মুক্ত সংবাদপত্র এবং একজন সচেতন নাগরিক যে কোনো জাতি এবং এর গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

প্যাটেল বলেছে যে তারা বাংলাদেশের সাথে তাদের সম্পর্ক আরো গভীর করতে চায় এবং অপেক্ষা করছে। সে কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিঙ্কেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সাথে বৈঠক করেছেন।

বেদান্ত প্যাটেল আরো বলেন, ‘আমরা আবারো সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের সাথে আমাদের সম্পর্ক আরো গভীর করার অপেক্ষায় রয়েছি।’ সূত্র : ভয়েস অব আমেরিকা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বের অন্যতম কঠোর আইন: যুক্তরাষ্ট্র

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ এপ্রিল ২০২৩

যুক্তরাষ্ট্র মনে করে যে বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বের অন্যতম কঠোর আইন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের প্রধান উপ-মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল ওয়াশিংটনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেছেন। মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ব্রিফিংয়ের সর্বশেষ অবস্থান তুলে ধরার সময় তার এই বক্তব্য প্রকাশ করা হয়।

মানবাধিকার লঙ্ঘন কারীদের জবাবদিহি করতে হবে বলে আবারো উল্লেখ করে বেদান্ত প্যাটেল বলেছেন, ‘বিস্তৃতভাবে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ এবং সারা বিশ্বে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের নীতিকে সমর্থন করে; তবে আমি এখানে কোনো রাজনৈতিক প্রার্থী বা দল বনাম অন্য রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীকে সমর্থন করতে আসিনি।’

প্যাটেল বলেন, ‘এটি আমাদের অনেক আশা যে বাংলাদেশ সরকার এই নিবন্ধ এবং ভিডিওর বিষয়বস্তু (র্যা বের উপর ডয়চে ভেলের ডকুমেন্টারি) খতিয়ে দেখবে।’ তিনি জানান যে যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যায়ন অনুসারে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সাংবাদিকদের জন্য বিশ্বের অন্যতম কঠোর আইন।

প্যাটেল বলেন, ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্স ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশকে ১৬২ নম্বরে স্থান দিয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় অবস্থান ১০ কমেছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা এই আইন সম্পর্কে আমাদের উদ্বেগ বেশ স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছি। একটি মুক্ত সংবাদপত্র এবং একজন সচেতন নাগরিক যে কোনো জাতি এবং এর গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

প্যাটেল বলেছে যে তারা বাংলাদেশের সাথে তাদের সম্পর্ক আরো গভীর করতে চায় এবং অপেক্ষা করছে। সে কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্লিঙ্কেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সাথে বৈঠক করেছেন।

বেদান্ত প্যাটেল আরো বলেন, ‘আমরা আবারো সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের সাথে আমাদের সম্পর্ক আরো গভীর করার অপেক্ষায় রয়েছি।’ সূত্র : ভয়েস অব আমেরিকা