ঢাকা ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দূর্নীতি অনিয়মের পটুয়াখালী জেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।  ডা. মাহমুদা মিতু: চিকিৎসক থেকে জনমানুষের রাজনীতির অনুপ্রেরণা ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন। 

দূর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের সংসদে পাঠিয়ে নিরাপত্তা প্রত্যাশা প্রশাসনের কাছে  : সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ্জামান

রিপোর্টার: ফয়সাল হোসেন
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:৩৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৩৯ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার : ফয়সাল হোসেন

ঢাকা : ভোটের মাধ্যমে দূর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের সংসদে পাঠিয়ে পরে রাষ্ট্রের কাছে নিরাপত্তা প্রত্যাশা করা অযৌক্তিক—এমন মন্তব্য করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ্জামান। তিনি বলেন, একটি নিরাপদ ও স্থিতিশীল রাষ্ট্র গঠনে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নয়, বরং জনগণের সচেতন ভোটাধিকার প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সোমবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাপ্রধান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “আপনারা যদি ভোট দিয়ে দূর্নীতি ও চাঁদাবাজদের সংসদে পাঠান, আর পরে নিরাপত্তা ও সুশাসন চান—তাহলে সেই প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়। রাষ্ট্র পরিচালনায় সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচনের দায়িত্ব জনগণের।”

জেনারেল ওয়াকার উজ্জামান আরও বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের জন্য সুশাসন অপরিহার্য। সুশাসন প্রতিষ্ঠা না হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একা সব সমস্যার সমাধান করতে পারে না। তিনি রাজনৈতিক দল ও জনপ্রতিনিধিদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানান।

সেনাপ্রধানের বক্তব্যে উঠে আসে চলমান সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার চিত্র। তিনি বলেন, দূর্নীতি ও চাঁদাবাজি শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতিই করে না, এটি সমাজের নৈতিক ভিত্তিকেও দুর্বল করে দেয়। এর ফলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ে এবং রাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমে যায়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্টজনরা মনে করেন, সেনাপ্রধানের এই বক্তব্য সময়োপযোগী এবং বাস্তবতাভিত্তিক। তারা বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধি না পেলে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব নয়।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে সেনাবাহিনী প্রধান দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বলেন, জনগণ ও রাষ্ট্রের স্বার্থেই সেনাবাহিনী সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

দূর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের সংসদে পাঠিয়ে নিরাপত্তা প্রত্যাশা প্রশাসনের কাছে  : সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ্জামান

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:৩৪:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রিপোর্টার : ফয়সাল হোসেন

ঢাকা : ভোটের মাধ্যমে দূর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের সংসদে পাঠিয়ে পরে রাষ্ট্রের কাছে নিরাপত্তা প্রত্যাশা করা অযৌক্তিক—এমন মন্তব্য করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ্জামান। তিনি বলেন, একটি নিরাপদ ও স্থিতিশীল রাষ্ট্র গঠনে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নয়, বরং জনগণের সচেতন ভোটাধিকার প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সোমবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাপ্রধান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “আপনারা যদি ভোট দিয়ে দূর্নীতি ও চাঁদাবাজদের সংসদে পাঠান, আর পরে নিরাপত্তা ও সুশাসন চান—তাহলে সেই প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়। রাষ্ট্র পরিচালনায় সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচনের দায়িত্ব জনগণের।”

জেনারেল ওয়াকার উজ্জামান আরও বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের জন্য সুশাসন অপরিহার্য। সুশাসন প্রতিষ্ঠা না হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একা সব সমস্যার সমাধান করতে পারে না। তিনি রাজনৈতিক দল ও জনপ্রতিনিধিদের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানান।

সেনাপ্রধানের বক্তব্যে উঠে আসে চলমান সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার চিত্র। তিনি বলেন, দূর্নীতি ও চাঁদাবাজি শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতিই করে না, এটি সমাজের নৈতিক ভিত্তিকেও দুর্বল করে দেয়। এর ফলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ে এবং রাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমে যায়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্টজনরা মনে করেন, সেনাপ্রধানের এই বক্তব্য সময়োপযোগী এবং বাস্তবতাভিত্তিক। তারা বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ভোটারদের সচেতনতা বৃদ্ধি না পেলে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব নয়।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে সেনাবাহিনী প্রধান দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বলেন, জনগণ ও রাষ্ট্রের স্বার্থেই সেনাবাহিনী সবসময় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে যাবে।