ঢাকা ১০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক

পাতাবাহার (Codiaeum variegatum)

স্বপন হোসেন (বিশেষ প্রতিনিধি)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৪:৩৫:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৩ ১৪৭৭ বার পড়া হয়েছে

পাতাবাহার (Codiaeum variegatum)

 

মনকে ভালো রাখার সহজ উপায় সবুজের সংস্পর্শে থাকা।আমরা সবাই গাছকে

ভালোবাসি। আমাদের

চারপাশের এবং বাড়ি-ঘরের সৌন্দর্যকে বারিয়ে তুলতে বিভিন্ন ধরনের গাছ।তবে এদের মধ্যে অনেক ক্ষতিকর গাছও রয়েছে।এই পর্যন্ত উদ্ভিদ বিশারদের কাছ থেকে জানা গেছে অনেক পাতা বাহার গাছ আছে যা বিষাক্ত প্রকৃতির।

 

ক্রোটন বা পাতাবাহার গাছের ধরন:

সারা বিশ্ব জুড়ে অন্তত ৩০০-৪০০ প্রজাতির পাতাবাহার গাছ আছে। যার মধ্যে প্রাকৃতিক ও সংকরায়নের মাধ্যমে সৃষ্ট উভয় গাছই আছে।

বিষাক্ত ও অধিক পরিচিত কিছু ক্রোটন বা পাতাবাহারের নাম :

★তীরমাথা

★মানিপ্ল্যান্ট

★ক্যালডিয়াম

★ডাইফেনবাচিয়া

★পেট্রা

 

উপকারিতা :

পাতাবাহার গাছের মূল আকর্ষণ হলো এর পাতা। এরা পরিবেশে সৌন্দর্যবর্ধক হিসেবে কাজ করে। এটি বায়ুশোধনকারি গাছ। ঘরের ভেতরে রাখলে এই গাছ বাতাস থেকে শুষে নিতে পারে অনেক বিষাক্ত যৌগের বাষ্প, যেমন, ফরম্যালডিহাইড, বেনজিন, জাইলিন, টলুইন, ইত্যাদি।

 

অপকারিতা:

পাতাবাহার গাছটি ক্ষতিকারক ও বিষাক্ত গাছের তালিকায় পরে। পাতাবাহার বা ক্রোটন এর পাতায় ক্যালসিয়াম অক্সালেট থাকে। পাতাবাহারের বিষাক্ত রস ও বীজ অ্যালার্জি বা ত্বকের জ্বালাপোড়ার কারণ হতে পারে। আর কোনোভাবে পেটে চলে গেলে মন খারাপ, বিরক্তি, বমি বমি ভাব, বমি, মাথাব্যথা,গলা ও মুখ ফুলে যাওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা হতে পারে।

★তীরমাথা: এই গাছের সংস্পর্শে থাকলে শিশু ও পোষা প্রাণীর গলা ও মাথাব্যথা এবং শ্বসনে সমস্যা হতে পারে। এ ছাড়া শিশু ও পোষা প্রাণীর পেটেব্যথা ও বমিভাবও দেখা দিতে পারে।

★ডাইফেনবাচিয়া: এই গাছের রসে বিষাক্ত ক্যালসিয়াম অক্সালেট থাকে, যা কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে। এর রসের কারনে গলা ফুলে যেতে পারে।

★ক্যালডিয়াম: দীর্ঘসময় ধরে এর সংস্পর্শে থাকলে এক ধরনের স্থায়ী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হয়। যার ফলে মুখ, জিহ্বা জ্বালাপোড়া, গলা ব্যথা, গিলতে এবং শ্বাস নিতে সমস্যা হতে পারে। শিশুরা এ গাছের পাতা মুখে দিলে জটিল পেটের পীড়ায় ভুগতে পারে।

 

সচেতনতা :

আমরা সখের বসে অনেকে বাসা-বাড়ি, ঘরের,অফিসের,বাগানের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য এই গাছ রোপণ করি যা আমাদের জন্য ক্ষতিকর। তাই এই গাছ গুলোকে শিশু, পোষা প্রাণী এবং নিজেদের নাগালের বাইরে রাখুন।

 

মিথিলা ইসলাম

সহ-সংগঠক The wild save organisation.

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পাতাবাহার (Codiaeum variegatum)

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৪:৩৫:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৩

পাতাবাহার (Codiaeum variegatum)

 

মনকে ভালো রাখার সহজ উপায় সবুজের সংস্পর্শে থাকা।আমরা সবাই গাছকে

ভালোবাসি। আমাদের

চারপাশের এবং বাড়ি-ঘরের সৌন্দর্যকে বারিয়ে তুলতে বিভিন্ন ধরনের গাছ।তবে এদের মধ্যে অনেক ক্ষতিকর গাছও রয়েছে।এই পর্যন্ত উদ্ভিদ বিশারদের কাছ থেকে জানা গেছে অনেক পাতা বাহার গাছ আছে যা বিষাক্ত প্রকৃতির।

 

ক্রোটন বা পাতাবাহার গাছের ধরন:

সারা বিশ্ব জুড়ে অন্তত ৩০০-৪০০ প্রজাতির পাতাবাহার গাছ আছে। যার মধ্যে প্রাকৃতিক ও সংকরায়নের মাধ্যমে সৃষ্ট উভয় গাছই আছে।

বিষাক্ত ও অধিক পরিচিত কিছু ক্রোটন বা পাতাবাহারের নাম :

★তীরমাথা

★মানিপ্ল্যান্ট

★ক্যালডিয়াম

★ডাইফেনবাচিয়া

★পেট্রা

 

উপকারিতা :

পাতাবাহার গাছের মূল আকর্ষণ হলো এর পাতা। এরা পরিবেশে সৌন্দর্যবর্ধক হিসেবে কাজ করে। এটি বায়ুশোধনকারি গাছ। ঘরের ভেতরে রাখলে এই গাছ বাতাস থেকে শুষে নিতে পারে অনেক বিষাক্ত যৌগের বাষ্প, যেমন, ফরম্যালডিহাইড, বেনজিন, জাইলিন, টলুইন, ইত্যাদি।

 

অপকারিতা:

পাতাবাহার গাছটি ক্ষতিকারক ও বিষাক্ত গাছের তালিকায় পরে। পাতাবাহার বা ক্রোটন এর পাতায় ক্যালসিয়াম অক্সালেট থাকে। পাতাবাহারের বিষাক্ত রস ও বীজ অ্যালার্জি বা ত্বকের জ্বালাপোড়ার কারণ হতে পারে। আর কোনোভাবে পেটে চলে গেলে মন খারাপ, বিরক্তি, বমি বমি ভাব, বমি, মাথাব্যথা,গলা ও মুখ ফুলে যাওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা হতে পারে।

★তীরমাথা: এই গাছের সংস্পর্শে থাকলে শিশু ও পোষা প্রাণীর গলা ও মাথাব্যথা এবং শ্বসনে সমস্যা হতে পারে। এ ছাড়া শিশু ও পোষা প্রাণীর পেটেব্যথা ও বমিভাবও দেখা দিতে পারে।

★ডাইফেনবাচিয়া: এই গাছের রসে বিষাক্ত ক্যালসিয়াম অক্সালেট থাকে, যা কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে। এর রসের কারনে গলা ফুলে যেতে পারে।

★ক্যালডিয়াম: দীর্ঘসময় ধরে এর সংস্পর্শে থাকলে এক ধরনের স্থায়ী ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হয়। যার ফলে মুখ, জিহ্বা জ্বালাপোড়া, গলা ব্যথা, গিলতে এবং শ্বাস নিতে সমস্যা হতে পারে। শিশুরা এ গাছের পাতা মুখে দিলে জটিল পেটের পীড়ায় ভুগতে পারে।

 

সচেতনতা :

আমরা সখের বসে অনেকে বাসা-বাড়ি, ঘরের,অফিসের,বাগানের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য এই গাছ রোপণ করি যা আমাদের জন্য ক্ষতিকর। তাই এই গাছ গুলোকে শিশু, পোষা প্রাণী এবং নিজেদের নাগালের বাইরে রাখুন।

 

মিথিলা ইসলাম

সহ-সংগঠক The wild save organisation.