ঢাকা ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দূর্নীতি অনিয়মের পটুয়াখালী জেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।  ডা. মাহমুদা মিতু: চিকিৎসক থেকে জনমানুষের রাজনীতির অনুপ্রেরণা ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন। 

বাংলাদেশ স্বাস্থ্যসেবা সংস্কার পরিষদের  চিকিৎসা খাতকে উন্নত করতে ৮ দফা দাবি পেশ করেন নবগঠিত সংগঠন,,,,,

রিপোর্টার:রোজিনা বেগম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:১৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৪ ১০৭ বার পড়া হয়েছে

গতকাল রবিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজের জরুরি বিভাগের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানায় তারা।এ সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ ডা. তাজনুভা জাবিন। তিনি বলেন, ‘ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের পতন এদেশের গণমানুষের মধ্যে একটি বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আশার সঞ্চার করেছে। জনগণ অন্যান্য অধিকার আদায়ের পাশাপাশি সর্বজনীন চিকিৎসাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখছেন। এ প্রেক্ষাপটে গণমুখী স্বাস্থ্যসেবা সুনিশ্চিত করতে চিকিৎসকসহ অন্যান্য স্বাস্থকর্মীদের ‘পেশাগত সুরক্ষা ও অধিকার’ নিশ্চিত করতে গত ১২ আগস্ট, ‘জুলাই অভ্যুত্থানে’ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণকারী গণতন্ত্রকামী চিকিৎসক সমাজের ঐক্যবদ্ধ মঞ্চ ‘বাংলাদেশ স্বাস্থ্যসেবা সংস্কার পরিষদ’ গঠিত হয়।’তারা এই অভিযোগ জানায়, চিকিৎসা ব্যবস্থাকে বর্তমানে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে। দ্রুত পদক্ষেপের মাধ্যমে তারা এর নিরসন চায়।স্বাস্থসেবার উন্নয়নে ৮ দফা দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। যেই দাবিগুলো হলো:১. ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে স্বাস্থ্যখাতে ঘটে যাওয়া দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ, স্বাস্থ্যখাতে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সহযোগী ও শান্তি সমাবেশের মূল হোতাদের বিচারের আওতায় আনা।২. জুলাই অভ্যুত্থানে আহত সকল ছাত্র-জনতার চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ ও দ্রুত বাস্তবায়ন করা।৩. স্বাস্থ্যসেবাকে সুযোগ নয়, অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান।৪. দালাল মুক্ত হাসপাতাল, টেস্ট ও কমিশন বাণিজ্য বন্ধ এবং ওষুধের দাম কমানো।৫. বিএমএ, ডেন্টাল সোসাইটিসহ সকল মেডিকেল-ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালে দলীয় লেজুড়বৃত্তিক পেশীশক্তির রাজনীতি নিষিদ্ধ করা।৬. বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক নিয়োগে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন, ট্রেইনী ও রেসিডেন্সি কোর্সে অধ্যয়নরত বেসরকারি ডাক্তারদের যৌক্তিক বেতন কাঠামো প্রণয়ন (নূন্যতম ৫০ হাজার)।৭. ডিজি হেলথ সহ স্বাস্থ্য প্রশাসনে নিযুক্ত আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সকল দোসরদের অপসারণ এবং শূন্য হওয়া পদসমূহে গণতন্ত্রমনা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবীদের সমন্বয়ে ‘বিশেষ স্বাস্থ্য কমিশন’ গঠনপূর্বক সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের পদায়ন নিশ্চিত করা। ৮. জুডিশিয়ারির ন্যায় স্বতন্ত্র ‘হেলথ সার্ভিস কমিশন’ গঠন ও তার অধীনে সমন্বিত, সুস্পষ্ট, গ্রহণযোগ্য, সার্বজনীন চাকুরীবিধি প্রণয়ন, যোগ্যতার ভিত্তিতে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ-পোস্টিং, জনবান্ধব চিকিৎসা সেবা, নিয়মতান্ত্রিক রোগী রেফারাল এবং চিকিৎসক সহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা- কর্মচারীর নিয়মতান্ত্রিক পদোন্নতি সুনিশ্চিত করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বাংলাদেশ স্বাস্থ্যসেবা সংস্কার পরিষদের  চিকিৎসা খাতকে উন্নত করতে ৮ দফা দাবি পেশ করেন নবগঠিত সংগঠন,,,,,

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:১৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৪

গতকাল রবিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজের জরুরি বিভাগের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানায় তারা।এ সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ ডা. তাজনুভা জাবিন। তিনি বলেন, ‘ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের পতন এদেশের গণমানুষের মধ্যে একটি বৈষম্যহীন গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আশার সঞ্চার করেছে। জনগণ অন্যান্য অধিকার আদায়ের পাশাপাশি সর্বজনীন চিকিৎসাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখছেন। এ প্রেক্ষাপটে গণমুখী স্বাস্থ্যসেবা সুনিশ্চিত করতে চিকিৎসকসহ অন্যান্য স্বাস্থকর্মীদের ‘পেশাগত সুরক্ষা ও অধিকার’ নিশ্চিত করতে গত ১২ আগস্ট, ‘জুলাই অভ্যুত্থানে’ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণকারী গণতন্ত্রকামী চিকিৎসক সমাজের ঐক্যবদ্ধ মঞ্চ ‘বাংলাদেশ স্বাস্থ্যসেবা সংস্কার পরিষদ’ গঠিত হয়।’তারা এই অভিযোগ জানায়, চিকিৎসা ব্যবস্থাকে বর্তমানে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে। দ্রুত পদক্ষেপের মাধ্যমে তারা এর নিরসন চায়।স্বাস্থসেবার উন্নয়নে ৮ দফা দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। যেই দাবিগুলো হলো:১. ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের আমলে স্বাস্থ্যখাতে ঘটে যাওয়া দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ, স্বাস্থ্যখাতে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সহযোগী ও শান্তি সমাবেশের মূল হোতাদের বিচারের আওতায় আনা।২. জুলাই অভ্যুত্থানে আহত সকল ছাত্র-জনতার চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ ও দ্রুত বাস্তবায়ন করা।৩. স্বাস্থ্যসেবাকে সুযোগ নয়, অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান।৪. দালাল মুক্ত হাসপাতাল, টেস্ট ও কমিশন বাণিজ্য বন্ধ এবং ওষুধের দাম কমানো।৫. বিএমএ, ডেন্টাল সোসাইটিসহ সকল মেডিকেল-ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালে দলীয় লেজুড়বৃত্তিক পেশীশক্তির রাজনীতি নিষিদ্ধ করা।৬. বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক নিয়োগে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন, ট্রেইনী ও রেসিডেন্সি কোর্সে অধ্যয়নরত বেসরকারি ডাক্তারদের যৌক্তিক বেতন কাঠামো প্রণয়ন (নূন্যতম ৫০ হাজার)।৭. ডিজি হেলথ সহ স্বাস্থ্য প্রশাসনে নিযুক্ত আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সকল দোসরদের অপসারণ এবং শূন্য হওয়া পদসমূহে গণতন্ত্রমনা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবীদের সমন্বয়ে ‘বিশেষ স্বাস্থ্য কমিশন’ গঠনপূর্বক সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের পদায়ন নিশ্চিত করা। ৮. জুডিশিয়ারির ন্যায় স্বতন্ত্র ‘হেলথ সার্ভিস কমিশন’ গঠন ও তার অধীনে সমন্বিত, সুস্পষ্ট, গ্রহণযোগ্য, সার্বজনীন চাকুরীবিধি প্রণয়ন, যোগ্যতার ভিত্তিতে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ-পোস্টিং, জনবান্ধব চিকিৎসা সেবা, নিয়মতান্ত্রিক রোগী রেফারাল এবং চিকিৎসক সহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা- কর্মচারীর নিয়মতান্ত্রিক পদোন্নতি সুনিশ্চিত করা।