ঢাকা ১০:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক

যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গন ব্যাপক আকার ধারন করছে।

রিপোর্টার : মো: সিপন রানা
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:৪৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জুন ২০২৩ ৪৭৪ বার পড়া হয়েছে

বর্ষার আগেই টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আগাম ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক বসতবাড়ি ফসলি জমি যমুনার নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

ভাঙ্গন যদি এভাবে চলমান থাকে, অতিদ্রুত দপ্তিয়র ইউনিয়ন নিশ্চিন্তপুর ঐতিহ্যবাহি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। গত বছর প্রায় ৪( চার) কিলোমিটার ভেঙ্গে নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় বলতে হয় যে, উজানে চৌহালী উপজেলাধীন ভাঙ্গন কবলিত গ্রাম গুলো ও ভাঠিতে দৌলতপুর উপজেলাধীন বোডঘর বাজার বাগকাটারী সীমানা থেকে নদী শাষনের কাজ চলমান থাকলে ও নাগরপুর উপজেলাধীন বলরামপুর ডিজিটাল বাজার থেকে নিশ্চিন্তপুর পর্যন্ত ভাঙ্গন রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার কেউ নেই। এলাকাবাসী জানায়, যমুনার ভাঙনে প্রতিবছরই নাগরপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শত শত ঘর-বাড়ি নদীগর্ভে চলে যায়। গত কয়েকদিনের ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো হচ্ছে- সলিমাবাদ ইউনিয়নের পাইসকা মাইঝাইল, খাস ঘুনিপাড়া, চর সলিমাবাদ ও ভূতের মোড়, ভারড়া ইউনিয়নের শাহজানী, মারমা ও উলাডাব এবং দপ্তিয়র ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর, কাটি নিশ্চিন্তপুর ও বাক কাটারি।
এ বিষয়ে জাকিরুল ইসলাম বাবু জানাই দপ্তিয়র ইউনিয়ন বাসী হিসাবে আমরা খুবই মর্মাহত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গন ব্যাপক আকার ধারন করছে।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:৪৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জুন ২০২৩

বর্ষার আগেই টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আগাম ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক বসতবাড়ি ফসলি জমি যমুনার নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

ভাঙ্গন যদি এভাবে চলমান থাকে, অতিদ্রুত দপ্তিয়র ইউনিয়ন নিশ্চিন্তপুর ঐতিহ্যবাহি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। গত বছর প্রায় ৪( চার) কিলোমিটার ভেঙ্গে নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় বলতে হয় যে, উজানে চৌহালী উপজেলাধীন ভাঙ্গন কবলিত গ্রাম গুলো ও ভাঠিতে দৌলতপুর উপজেলাধীন বোডঘর বাজার বাগকাটারী সীমানা থেকে নদী শাষনের কাজ চলমান থাকলে ও নাগরপুর উপজেলাধীন বলরামপুর ডিজিটাল বাজার থেকে নিশ্চিন্তপুর পর্যন্ত ভাঙ্গন রোধে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার কেউ নেই। এলাকাবাসী জানায়, যমুনার ভাঙনে প্রতিবছরই নাগরপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শত শত ঘর-বাড়ি নদীগর্ভে চলে যায়। গত কয়েকদিনের ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো হচ্ছে- সলিমাবাদ ইউনিয়নের পাইসকা মাইঝাইল, খাস ঘুনিপাড়া, চর সলিমাবাদ ও ভূতের মোড়, ভারড়া ইউনিয়নের শাহজানী, মারমা ও উলাডাব এবং দপ্তিয়র ইউনিয়নের নিশ্চিন্তপুর, কাটি নিশ্চিন্তপুর ও বাক কাটারি।
এ বিষয়ে জাকিরুল ইসলাম বাবু জানাই দপ্তিয়র ইউনিয়ন বাসী হিসাবে আমরা খুবই মর্মাহত।