ঢাকা ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন।  বস্তা পদ্ধতিতে বসত বাড়ীর আঙ্গিনায় আদা চাষের উপকরণ বিতরণ।  দেশের জ্বালানি তেলের সংকটে অর্থনীতির চাকা ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও গার্মেন্টস কর্মী সহ নিম্ন আয়ের সকল মানুষের আত্মচিৎকার। পটুয়াখালী উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারাদেশে একযোগে শুরু হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হাম কি সত্যি-ই ভয়ানক সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক

সেন্টমার্টিনে মোখার তাণ্ডবে ৮০ শতাংশ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

প্রতিনিধির নাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:৫৬:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ মে ২০২৩ ১৩৩ বার পড়া হয়েছে
চেকপোস্ট:: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাব এখনো শেষ হয়নি। এখনো উপকূলজুড়ে চলছে এর তাণ্ডব। সেন্টমার্টিন দ্বীপ এলাকা অতিক্রম করার সময় দ্বীপের প্রায় ৮০ শতাংশ ঘরবাড়ি লন্ডভন্ড হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। 
রোববার (১৪ মে) দুপুর ১টার নাগাদ সেন্টমার্টিনে দ্বীপে আঘাত হানে মোখা। বিকেল চারটায় এক সংবাদ সম্মেলনে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, সেন্টমার্টিনে দুপুর ১টার দিকে ১০০ কিলোমিটার বেগে, ২টার দিকে ১২১ কিলোমিটার বেগে, ২টা ২০ মিনিটের দিকে ১৫১ কিলোমিটার বেগে এবং ২টা ৩০ মিনিটে ১৪৭ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে গেছে। 
এদিকে বিকেল পৌনে পাঁচটার তথ্য অনুযায়ী সেখানে প্রবল ঝোড়ো হাওয়ার পাশাপাশি ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে সেন্টমার্টিনের উত্তরপাড়া, পশ্চিমপাড়া ও পূর্ব দিকের বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে।
এছাড়া ঝড়ের তাণ্ডবে মাঝরপাড়া, দক্ষিণপাড়া, পশ্চিমপাড়া, উত্তরপাড়া, কোনারপাড়া, গলাচিপার অন্তত ৩৪০টি ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। সে সঙ্গে কয়েক শ’ গাছপালা ভেঙে পড়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। 
সেন্টমার্টিনের তিনটি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ৩৭টির বেশি হোটেল রিসোর্ট ও কটেজে আশ্রয় নিয়েছে স্থানীয় প্রায় ৬ হাজার মানুষ। বেশির ভাগই শিশু ও নারী।
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান রোববার বিকেলে গণমাধ্যমকে জানান, সকালের দিকে  দ্বীপের পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক ছিল। তবে দুপুর  থেকে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করতে শুরু করে। বেলা দুইটার পর প্রবল গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টিপাত শুরু হয়। বিকেল চারটা পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকে। এতে লোকজনের ঘরবাড়ি, গাছপালা ভেঙে পড়ছে। গাছ পড়ে আহত হয়েছেন ১০-১৫ জন। এর মধ্যে একজন নারীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সেন্টমার্টিনে মোখার তাণ্ডবে ৮০ শতাংশ ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:৫৬:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ মে ২০২৩
চেকপোস্ট:: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাব এখনো শেষ হয়নি। এখনো উপকূলজুড়ে চলছে এর তাণ্ডব। সেন্টমার্টিন দ্বীপ এলাকা অতিক্রম করার সময় দ্বীপের প্রায় ৮০ শতাংশ ঘরবাড়ি লন্ডভন্ড হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। 
রোববার (১৪ মে) দুপুর ১টার নাগাদ সেন্টমার্টিনে দ্বীপে আঘাত হানে মোখা। বিকেল চারটায় এক সংবাদ সম্মেলনে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, সেন্টমার্টিনে দুপুর ১টার দিকে ১০০ কিলোমিটার বেগে, ২টার দিকে ১২১ কিলোমিটার বেগে, ২টা ২০ মিনিটের দিকে ১৫১ কিলোমিটার বেগে এবং ২টা ৩০ মিনিটে ১৪৭ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে গেছে। 
এদিকে বিকেল পৌনে পাঁচটার তথ্য অনুযায়ী সেখানে প্রবল ঝোড়ো হাওয়ার পাশাপাশি ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসে সেন্টমার্টিনের উত্তরপাড়া, পশ্চিমপাড়া ও পূর্ব দিকের বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে।
এছাড়া ঝড়ের তাণ্ডবে মাঝরপাড়া, দক্ষিণপাড়া, পশ্চিমপাড়া, উত্তরপাড়া, কোনারপাড়া, গলাচিপার অন্তত ৩৪০টি ঘরবাড়ি ভেঙে গেছে। সে সঙ্গে কয়েক শ’ গাছপালা ভেঙে পড়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। 
সেন্টমার্টিনের তিনটি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র, কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ৩৭টির বেশি হোটেল রিসোর্ট ও কটেজে আশ্রয় নিয়েছে স্থানীয় প্রায় ৬ হাজার মানুষ। বেশির ভাগই শিশু ও নারী।
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান রোববার বিকেলে গণমাধ্যমকে জানান, সকালের দিকে  দ্বীপের পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক ছিল। তবে দুপুর  থেকে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করতে শুরু করে। বেলা দুইটার পর প্রবল গতিবেগে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টিপাত শুরু হয়। বিকেল চারটা পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকে। এতে লোকজনের ঘরবাড়ি, গাছপালা ভেঙে পড়ছে। গাছ পড়ে আহত হয়েছেন ১০-১৫ জন। এর মধ্যে একজন নারীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।