ঢাকা ০৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দূর্নীতি অনিয়মের পটুয়াখালী জেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।  ডা. মাহমুদা মিতু: চিকিৎসক থেকে জনমানুষের রাজনীতির অনুপ্রেরণা ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন। 

আওয়াজ ফাউন্ডেশনের মানববন্ধন কর্মসূচি।

স্টাফ রিপোর্টার সাদিয়া আক্তার।
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১১:২৩:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০২৪ ৭৬ বার পড়া হয়েছে

আওয়াজ ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে জাতীয় প্রেস ক্লাবে।আজ শুক্রবার এই মানববন্ধন পালন‌‌ করে তারা।এসময় আওয়াজ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক নাজমা আক্তার বলেন,আওয়াজ ফাউন্ডেশন তৃণমূল পর্যায়ের শ্রমিক সংগঠন। আওয়াজ ফাউন্ডেশন শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায় ও অভিবাসন নিশ্চিতকরে আসছে। তিনি বলেন,বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসী শ্রমিকদের রেমিট্যান্স এক অন্যতম চালিকাশক্তি। যা জিডিপিতে বেশ শুরুত্বপূর্ন অবদান রাখে।। কিন্তু প্রবাসে তাদের অনাহারে, অর্ধাহারে, শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতনের স্বীকার অবস্থায় দিন যাপন করে থাকে।এই রেমিট্যান্স যোদ্ধারাই দেশের বড় চালিকা শক্তি। বিগত সময়ে কোন সরকারই এই প্রবাসীদের কে যথাযথ সম্মান,মর্যাদাপূর্ণ কাজ, প্রাপ্যতা অনুসারে সুবিচার, ন্যায্যতা ও সমতার বিষয়টা বিবেচনায় রাখেনি। শুধু বিবেচনায় রেখেছে রেমিট্যান্স আসবে, আর কীভাবে দেশের চাকা সচল থাকবে? কর্মরত দেশে তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে বারংবার। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দেশের প্রচলিত আইন এই প্রবাসীদের কল্যানার্থে কোন কাজ করে নাই। যার ফলে কর্মরত দেশে আমার দেশের প্রবাসীরা দাসত্বের শিকার হচ্ছে। এই প্রবাসীদের নিয়োগ থেকে শুরু করে দেশে ফেরা পর্যন্ত দালালের খপ্পরে পড়ে সর্বশান্ত হতে হচ্ছে। যে বিশালগ্নি নিয়ে তারা দেশ ছাড়ছে উল্টো সেই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিনত হচ্ছে। যেখানে নেই কোন সঠিক মজুরি কাঠামো, সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা। কর্মক্ষেত্রে দূর্ঘটনার শিকার হলে নেই ফোন পূর্ণবাসনের ব্যবস্থা। দেশে ফিরে আসলে পরিবার সন্তান নিয়ে এক দুঃসহ মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হয়। বিশলাকার অভিবাসন ব্যায়ের বোঝা প্রবাসীকে নানানভাবে শারিরীক, মানসিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রহ করছে। এছাড়াও চুক্তি মোতাবেক কাজ, খাবার, বেতন, ইকামা (কাজের অনুমতি) বাসস্থান, কর্মপরিবেশ, যথাযথ সুচিকিৎসা, বিনোদনের অভাবে একজন প্রবাসী তার মৌলিক মানবিক অধিকার হতে বঞ্চিত হচ্ছে।তাদের দাবি সমূহ হলো,১.শূণ্য খরচে অভিবাসন ব্যায় নিশ্চিত করতে হবে। মালিক যার, খরচ তার নীতি বাস্তবায়ন করতে হবে।২.নারীসহ সকল প্রবাসীকর্মীদের শোভন কর্মপরিবেশ ব্যবস্থা করতে হবে।৩.প্রবাসে জাতিগত/জেন্ডারগত বৈষম্য দূর করতে হবে।৪.সকল প্রবাসীদের অবাধ সংগঠিত হওয়ার, বাক-স্বাধীনতার এবং অবাধ চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।৫.প্রবাসী শ্রমিকদের রেশনিং ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে।৬.দূতাবাসের সেবার পরিধি বৃদ্ধি, কর্মকর্তাদের ভালো আচরন এবং দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে।৭.বীমা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।৮.প্রবাসী কর্মীদের জস্য সর্বনিম্ন ব্যায়ে টিকেটের ব্যবস্থা করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

আওয়াজ ফাউন্ডেশনের মানববন্ধন কর্মসূচি।

নিউজ প্রকাশের সময় : ১১:২৩:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০২৪

আওয়াজ ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে জাতীয় প্রেস ক্লাবে।আজ শুক্রবার এই মানববন্ধন পালন‌‌ করে তারা।এসময় আওয়াজ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক নাজমা আক্তার বলেন,আওয়াজ ফাউন্ডেশন তৃণমূল পর্যায়ের শ্রমিক সংগঠন। আওয়াজ ফাউন্ডেশন শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায় ও অভিবাসন নিশ্চিতকরে আসছে। তিনি বলেন,বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসী শ্রমিকদের রেমিট্যান্স এক অন্যতম চালিকাশক্তি। যা জিডিপিতে বেশ শুরুত্বপূর্ন অবদান রাখে।। কিন্তু প্রবাসে তাদের অনাহারে, অর্ধাহারে, শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতনের স্বীকার অবস্থায় দিন যাপন করে থাকে।এই রেমিট্যান্স যোদ্ধারাই দেশের বড় চালিকা শক্তি। বিগত সময়ে কোন সরকারই এই প্রবাসীদের কে যথাযথ সম্মান,মর্যাদাপূর্ণ কাজ, প্রাপ্যতা অনুসারে সুবিচার, ন্যায্যতা ও সমতার বিষয়টা বিবেচনায় রাখেনি। শুধু বিবেচনায় রেখেছে রেমিট্যান্স আসবে, আর কীভাবে দেশের চাকা সচল থাকবে? কর্মরত দেশে তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে বারংবার। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দেশের প্রচলিত আইন এই প্রবাসীদের কল্যানার্থে কোন কাজ করে নাই। যার ফলে কর্মরত দেশে আমার দেশের প্রবাসীরা দাসত্বের শিকার হচ্ছে। এই প্রবাসীদের নিয়োগ থেকে শুরু করে দেশে ফেরা পর্যন্ত দালালের খপ্পরে পড়ে সর্বশান্ত হতে হচ্ছে। যে বিশালগ্নি নিয়ে তারা দেশ ছাড়ছে উল্টো সেই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিনত হচ্ছে। যেখানে নেই কোন সঠিক মজুরি কাঠামো, সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা। কর্মক্ষেত্রে দূর্ঘটনার শিকার হলে নেই ফোন পূর্ণবাসনের ব্যবস্থা। দেশে ফিরে আসলে পরিবার সন্তান নিয়ে এক দুঃসহ মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হয়। বিশলাকার অভিবাসন ব্যায়ের বোঝা প্রবাসীকে নানানভাবে শারিরীক, মানসিক ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রহ করছে। এছাড়াও চুক্তি মোতাবেক কাজ, খাবার, বেতন, ইকামা (কাজের অনুমতি) বাসস্থান, কর্মপরিবেশ, যথাযথ সুচিকিৎসা, বিনোদনের অভাবে একজন প্রবাসী তার মৌলিক মানবিক অধিকার হতে বঞ্চিত হচ্ছে।তাদের দাবি সমূহ হলো,১.শূণ্য খরচে অভিবাসন ব্যায় নিশ্চিত করতে হবে। মালিক যার, খরচ তার নীতি বাস্তবায়ন করতে হবে।২.নারীসহ সকল প্রবাসীকর্মীদের শোভন কর্মপরিবেশ ব্যবস্থা করতে হবে।৩.প্রবাসে জাতিগত/জেন্ডারগত বৈষম্য দূর করতে হবে।৪.সকল প্রবাসীদের অবাধ সংগঠিত হওয়ার, বাক-স্বাধীনতার এবং অবাধ চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।৫.প্রবাসী শ্রমিকদের রেশনিং ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে।৬.দূতাবাসের সেবার পরিধি বৃদ্ধি, কর্মকর্তাদের ভালো আচরন এবং দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে।৭.বীমা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।৮.প্রবাসী কর্মীদের জস্য সর্বনিম্ন ব্যায়ে টিকেটের ব্যবস্থা করতে হবে।