ঢাকা ০৭:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দূর্নীতি অনিয়মের পটুয়াখালী জেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।  ডা. মাহমুদা মিতু: চিকিৎসক থেকে জনমানুষের রাজনীতির অনুপ্রেরণা ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন। 

গন-অভ্যুথান উত্তর বাংলাদেশের মানসিক স্বাস্থ্য

স্টাফ রিপোর্টার রোজিনা বেগম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:২৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪ ১০২ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে মাদকাসক্তি সহ অন্যান্য মানসিক রোগে ভুগছেন আনুমানিক তিন কোটি মানুষ যাদের এই মুহর্তে জরুরী মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রয়োজন (প্রাপ্তবয়স্কদের ১৮.৭% শিশু কিশোরদের ১২.৬%)।এর বাইরে লক্ষ লক্ষ নাগরিক চিকিৎসা বা রোগ নির্ণয়ের বাইরেই আছেন। রোগ নির্ণয় ও যথাযথ চিকিৎসার সুযোগও সীমিত। এর ওপরে, জুলাই গণহত্যা আমাদের সবার মনে এক বিশাল মনস্তাত্ত্বিক ক্ষত রেখে গেছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ, এবং হত্যা-নিযাতনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভুক্তভোগী হওয়া গুরুতর মানসিক রোগের কারণ হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে উন্মুক্ত সংলাপ এবং আলোচনা ব্যতীত সংস্কার উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। আমাদের সম্ভাব্য আলোচনায় নিম্নবর্নিত বিষয়গুলো থাকা জরুরী-স্বাধীন স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে আমাদের শিশু, তরুণ যুবক, মহিলা, বৃদ্ধ এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর স্বাভাবিক মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য কি ধরনের মানসিক স্বাস্থ্য নীতি গ্রহণ করা প্রয়োজন?ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট কাজে লাগাতে আমাদের তরুণ জনগোষ্ঠীকে মাদকের হাত থেকে বাঁচাতে কি ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি এবং প্রতিরোধ কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে?সমাজের সর্বস্তরের কাছে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন মানসিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে আমাদের প্রধানতম বাধা গুলো কি কি?বর্তমান প্রেক্ষাপটে এইসব লক্ষ্য অর্জন করতে কি ধরনের সাংবিধানিক আইনগত ও নীতিগত পরিবর্তন প্রয়োজন?জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য এবং বিজয়ী আহত যোদ্ধাদের সঠিক, কার্যকরী মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করতে আমরা কি, কিভাবে করতে পারি?আত্মহত্যা চেষ্টাকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে দেখে, ৩৬ লক্ষ থেকে ১ কোটি মাদকাসক্ত রোগীদর অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের চিকিৎসার ভার আইনগত ভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালযের হাতে রেখে, প্রায় তিন কোটি মানুষের জরুরী মানসিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য জাতীয় স্বাস্থ্য বাজেটের দশমিক ০.১% এরও কম বিনিয়োগ করে আমাদের পক্ষে কি সাম্য এবং ইনসাফের ভিত্তিতে স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব?এবং অন্য যা আপনি যথাযথ এবং প্রয়োজনীয় বলে মনে করেন।আপনাদের মূল্যবান মতামতকে প্রতিফলিত করে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিষ্টস (বিএপি) একটি স্মারকপত্র প্রণয়ন করবে। এই গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণ করে সবার মতামত তুলে ধরলেন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

গন-অভ্যুথান উত্তর বাংলাদেশের মানসিক স্বাস্থ্য

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:২৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশে মাদকাসক্তি সহ অন্যান্য মানসিক রোগে ভুগছেন আনুমানিক তিন কোটি মানুষ যাদের এই মুহর্তে জরুরী মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রয়োজন (প্রাপ্তবয়স্কদের ১৮.৭% শিশু কিশোরদের ১২.৬%)।এর বাইরে লক্ষ লক্ষ নাগরিক চিকিৎসা বা রোগ নির্ণয়ের বাইরেই আছেন। রোগ নির্ণয় ও যথাযথ চিকিৎসার সুযোগও সীমিত। এর ওপরে, জুলাই গণহত্যা আমাদের সবার মনে এক বিশাল মনস্তাত্ত্বিক ক্ষত রেখে গেছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ, এবং হত্যা-নিযাতনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভুক্তভোগী হওয়া গুরুতর মানসিক রোগের কারণ হতে পারে। এ পরিস্থিতিতে উন্মুক্ত সংলাপ এবং আলোচনা ব্যতীত সংস্কার উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। আমাদের সম্ভাব্য আলোচনায় নিম্নবর্নিত বিষয়গুলো থাকা জরুরী-স্বাধীন স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে আমাদের শিশু, তরুণ যুবক, মহিলা, বৃদ্ধ এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর স্বাভাবিক মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য কি ধরনের মানসিক স্বাস্থ্য নীতি গ্রহণ করা প্রয়োজন?ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট কাজে লাগাতে আমাদের তরুণ জনগোষ্ঠীকে মাদকের হাত থেকে বাঁচাতে কি ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি এবং প্রতিরোধ কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে?সমাজের সর্বস্তরের কাছে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন মানসিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে আমাদের প্রধানতম বাধা গুলো কি কি?বর্তমান প্রেক্ষাপটে এইসব লক্ষ্য অর্জন করতে কি ধরনের সাংবিধানিক আইনগত ও নীতিগত পরিবর্তন প্রয়োজন?জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্য এবং বিজয়ী আহত যোদ্ধাদের সঠিক, কার্যকরী মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করতে আমরা কি, কিভাবে করতে পারি?আত্মহত্যা চেষ্টাকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে দেখে, ৩৬ লক্ষ থেকে ১ কোটি মাদকাসক্ত রোগীদর অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের চিকিৎসার ভার আইনগত ভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালযের হাতে রেখে, প্রায় তিন কোটি মানুষের জরুরী মানসিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য জাতীয় স্বাস্থ্য বাজেটের দশমিক ০.১% এরও কম বিনিয়োগ করে আমাদের পক্ষে কি সাম্য এবং ইনসাফের ভিত্তিতে স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণ সম্ভব?এবং অন্য যা আপনি যথাযথ এবং প্রয়োজনীয় বলে মনে করেন।আপনাদের মূল্যবান মতামতকে প্রতিফলিত করে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিষ্টস (বিএপি) একটি স্মারকপত্র প্রণয়ন করবে। এই গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণ করে সবার মতামত তুলে ধরলেন