ঢাকা ০১:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদকমুক্ত গড়তে পুলিশের কঠোর অবস্থান, আটক ৪জন।  খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনে বৃক্ষরোপণ উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষার আহ্বান এমপি ডাঃ সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার সমুদ্রপথে বিদেশ যাত্রা বন্ধ করতেই হবে: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, এমপি হ্যানিম্যানের চিকিৎসা দর্শন আজও বিশ্বব্যাপী সমাদৃত” — ইজ্জত উল্লাহ এমপি ঘরের সিঁধ কেটে চুরির ঘটনার মূল হোতা সহ ৬ জন গ্রেফতার।  সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার নতুন যাত্রা, আনন্দে ভাসছে শেরপুর বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষে শেরপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সহায়ক উপকরণ বিতরণ শেরপুর সদর উপজেলায় খাল খনন/পুনঃখনন কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন নীরবতা আর শূন্যতার মধ্যে দিন কাটছে মোঃ সিদ্দিকুর রহমানের মানসিক অবসাদে হারিয়ে যাচ্ছে জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ সংসদ সদস্য ডাঃ সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কাকে পেয়ে আনন্দিত শেরপুরবাসী

চাষীর ঘরে যাবে দেড়শ কোটি টাকা

মো: মহিবুল ইসলাম খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চীফ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:৫৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪ ৮০ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গার পাকা আম বাজারে আসবে আগামী ১৬ মে (২ জ্যৈষ্ঠ) থেকে। সেদিন থেকে প্রথম ধাপে আটি, গুটি ও বোম্বাই জাতের আম সংগ্রহ শুরু হবে। গতকাল সোমবার দুপুর ৩ টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আম সংগ্রহের সময়কাল নির্ধারণ সংক্রান্ত বিষয় মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানানো হয়। ওই সভায় জেলা প্রশাসন, কৃষি কর্মকর্তা, আম বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীগণ উপস্থিত ছিলেন।সভা থেকে জানা যায়, আগামী ১৬ মে (২ জ্যৈষ্ঠ) থেকে আটি, গুটি ও বোম্বাই জাতের, ২৪ মে (১০ জ্যৈষ্ঠ) থেকে হিমসাগর, ৩০ মে (১৭ জ্যৈষ্ঠ) থেকে ল্যাংড়া, ৭ জুন (২৪ জ্যৈষ্ঠ) আম্রপালি (বারি-৩) জাতের, ১৫ জুন (১ আষাঢ়) থেকে ফজলি জাতের ও ১ জুলাই (১৭ আষাঢ়) থেকে আশ্বিনা (বারি-৪) জাতের আম সংগ্রহ শুরু হবে।সভাপতির বক্তব্যে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা বলেন, কোনো অবস্থাতেই বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অপরিপক্ক আম পাড়া যাবে না। তাছাড়া অবৈধ প্রক্রিয়ায় আম পাকানো হলে বা পাকানোর উদ্দেশ্যে মজুদ করা হলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এবং নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরো জানান, জেলাব্যাপী আম সংগ্রহের সূচি ব্যাতিত কেউ অপরিপক্ক আম পাড়তে পারবেন না। কেউ যদি এর ব্যত্যয় ঘটায় তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষি সম্প্রসাণ অধিদফতরের উপপরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহা বলেন, জেলায় এ বছর চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিলো ২ হাজার ৪৬৫ হেক্টর জমিতে এবং সেখানে আবাদ হয়েছে ২ হাজার ৩০৪ হেক্টর জমিতে। এসব জমি থেকে হেক্টর প্রতি আম উৎপাদন হবে ১৩-১৪ মেট্টিকটন। আম উৎপাদন হবে ৩০ হাজার মেট্টিক টন। তিনি আরও জানান, গড়ে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রয় করলে আনুমানিক বাজারমূল্য হবে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা। সে হিসেবে চাষীর ঘরে যাবে দেড়শ কোটি টাকা।সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আফরিস বিনতে আজিজ, দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার, জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সহিদুল ইসলাম, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সজিব পাল, চুয়াডাঙ্গা আম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুস কুদ্দুস মহলদার, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, সহ-সাধারণ সম্পাক লাজুক, আম চাষি মাসুদ রানা, মিজানুর রহমান ও আম ব্যবসায়ি আব্দুল মমিন প্রমুখ। এছাড়া জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চাষীর ঘরে যাবে দেড়শ কোটি টাকা

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:৫৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ মে ২০২৪

চুয়াডাঙ্গার পাকা আম বাজারে আসবে আগামী ১৬ মে (২ জ্যৈষ্ঠ) থেকে। সেদিন থেকে প্রথম ধাপে আটি, গুটি ও বোম্বাই জাতের আম সংগ্রহ শুরু হবে। গতকাল সোমবার দুপুর ৩ টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আম সংগ্রহের সময়কাল নির্ধারণ সংক্রান্ত বিষয় মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানানো হয়। ওই সভায় জেলা প্রশাসন, কৃষি কর্মকর্তা, আম বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীগণ উপস্থিত ছিলেন।সভা থেকে জানা যায়, আগামী ১৬ মে (২ জ্যৈষ্ঠ) থেকে আটি, গুটি ও বোম্বাই জাতের, ২৪ মে (১০ জ্যৈষ্ঠ) থেকে হিমসাগর, ৩০ মে (১৭ জ্যৈষ্ঠ) থেকে ল্যাংড়া, ৭ জুন (২৪ জ্যৈষ্ঠ) আম্রপালি (বারি-৩) জাতের, ১৫ জুন (১ আষাঢ়) থেকে ফজলি জাতের ও ১ জুলাই (১৭ আষাঢ়) থেকে আশ্বিনা (বারি-৪) জাতের আম সংগ্রহ শুরু হবে।সভাপতির বক্তব্যে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ড. কিসিঞ্জার চাকমা বলেন, কোনো অবস্থাতেই বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে অপরিপক্ক আম পাড়া যাবে না। তাছাড়া অবৈধ প্রক্রিয়ায় আম পাকানো হলে বা পাকানোর উদ্দেশ্যে মজুদ করা হলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এবং নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরো জানান, জেলাব্যাপী আম সংগ্রহের সূচি ব্যাতিত কেউ অপরিপক্ক আম পাড়তে পারবেন না। কেউ যদি এর ব্যত্যয় ঘটায় তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।চুয়াডাঙ্গা জেলা কৃষি সম্প্রসাণ অধিদফতরের উপপরিচালক বিভাস চন্দ্র সাহা বলেন, জেলায় এ বছর চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিলো ২ হাজার ৪৬৫ হেক্টর জমিতে এবং সেখানে আবাদ হয়েছে ২ হাজার ৩০৪ হেক্টর জমিতে। এসব জমি থেকে হেক্টর প্রতি আম উৎপাদন হবে ১৩-১৪ মেট্টিকটন। আম উৎপাদন হবে ৩০ হাজার মেট্টিক টন। তিনি আরও জানান, গড়ে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রয় করলে আনুমানিক বাজারমূল্য হবে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা। সে হিসেবে চাষীর ঘরে যাবে দেড়শ কোটি টাকা।সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আফরিস বিনতে আজিজ, দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার, জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা সহিদুল ইসলাম, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সজিব পাল, চুয়াডাঙ্গা আম ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুস কুদ্দুস মহলদার, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম, সহ-সাধারণ সম্পাক লাজুক, আম চাষি মাসুদ রানা, মিজানুর রহমান ও আম ব্যবসায়ি আব্দুল মমিন প্রমুখ। এছাড়া জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।