ঢাকা ০৩:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কর্মজীবী নারীদের অবমাননাকর বক্তব্যের প্রতিবাদে প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সিলেট কমিউনিটি ইন সাউথ কোরিয়া’র ২০২৬ সালের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা কেরাণীগঞ্জে বিএনপির নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত ভোলা আমার বাপের বাড়ি মার্কা মোদের গরুর গাড়ি”—ভোলায় সমাবেশে ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ দক্ষিণ কোরিয়া  জংওয়াং মসজিদ এন্ড ইসলামিক সেন্টারের উদ্যোগে সল্লাল উপলক্ষে ওয়াজ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তারেক রহমানের ধানের শীষ, ভিপি নুরুল হক নূরের ট্রাক, পার্থর, গরুর গাড়ি মার্কা—তিন নায়ক, এক দেশ: নতুন করে জেগে উঠছে বাংলাদেশ শবে বরাত উপলক্ষে মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে এমপি প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর পক্ষ থেকে হতদরিদ্রদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ জামায়াতের আমীরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার: প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ দূর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের সংসদে পাঠিয়ে নিরাপত্তা প্রত্যাশা প্রশাসনের কাছে  : সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ্জামান নিরাপত্তা ছাড়াই রাজপথে তারেক রহমানের পক্ষে ভোট চাইতে নামলেন শর্মিলা রহমান সিঁথি

জলাবদ্ধতা ৭০ ভাগ থেকে ১০ ভাগে নেমে এসেছেঃ ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস।

প্রতিনিধির নাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:২৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুন ২০২৩ ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

সংবাদ দাতাঃমেহেদী হাসান অলি

তারিখ: – ১৪ জুন, ২০২৩ খ্রি.
—————————————

জলাবদ্ধতা ৭০ ভাগ থেকে ১০ ভাগে নেমে এসেছেঃ ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস।

সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ঢাদসিক) আওতাধীন এলাকার জলাবদ্ধতা ৭০ ভাগ থেকে ১০ ভাগে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

আজ বুধবার (১৪জুন) সকালে রাজধানীর বংশাল এলাকার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডস্থ সামসাবাদ খেলার মাঠের উদ্বোধন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস এ তথ্য জানান।

ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, “২০২০ সালেও একটু বৃষ্টি হলে শহর প্লাবিত হয়ে যেতো। মনে হতো বন্যা হয়ে গেছে। সেখান থেকে আমরা জলাবদ্ধতা ১০ ভাগে নিয়ে এসেছি।”

প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় খাল ও নর্দমা সিটি করপোরেশনে হস্তান্তরের পর গৃহিত কার্যক্রমের ফলে জলমগ্ন পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে জানিয়ে ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, “বর্ষা মৌসুমে আমাদের বড় দুশ্চিন্তা অবশ্যই জলমগ্নতা এবং জলাবদ্ধতা। তবে আমরা যখন ২০২০ সালে দায়িত্ব নেই তখন খাল, নর্দমাগুলো আমাদের দায়িত্বে ছিল না। তখন অল্প বৃষ্টিতেই ঢাকা শহরের ৭০ ভাগ এলাকা জলমগ্ন হয়ে যেত, প্লাবিত হয়ে যেত। মনে হতো যেন বন্যা হয়ে গেছে। আমরা যখন সোচ্চার হয়েছি, তখন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর নেতৃত্বে খাল এবং নর্দমাগুলো আমাদের কাছে হস্থান্তর করা হয়। এরপর আমরা ১৩৬টা স্থান নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর উন্নয়ন করেছি। যার ফলে জলাবদ্ধতা ১০ ভাগে নেমে এসেছে। কিছু কিছু বিচ্ছিন্ন জায়গা ছাড়া এখন আর জলমগ্নতা নাই।”

যেসব কাজ চলমান রয়েছে সেগুলো শেষ হলে আগামী মৌসুমে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না বলেও ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস এ সময় জানান।

একটি উন্নত রাজধানী গড়ে তোলায় লক্ষ্য জানিয়ে ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, “আমাদের লক্ষ্য — একটি উন্নত রাজধানী, উন্নত ঢাকা গড়ায় ওয়ার্ডভিত্তিক পর্যাপ্ত খেলার মাঠ, উদ্যানের ব্যাবস্থা করা। উন্মুক্ত জায়গার ব্যাবস্থা করা। যেখানে ছেলে-মেয়েরা খেলতে পারবে, মুরব্বীরা হাঁটতে পারবে এবং একটু নির্মল বাতাস উপভোগ করতে পারবে, একটু সবুজায়ন থাকবে। সেই প্রেক্ষিতে আমাদের কার্যক্রম পুরোদমে চলছে।

এ সময় ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস সামসাবাদ খেলার মাঠের হাঁটার পথ (ওয়াকওয়ে) সংলগ্ন জায়গায় একটি পলাশ গাছের চারা রোপণ করেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিম, করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী আশিকুর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী আশিকুর রহমান, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী, ৪ নম্বর অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আতাহার মিয়া, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. খায়রুল বাকের, অঞ্চল-৪ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হারুনুর রশীদ, ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. আ. মান্নান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

জলাবদ্ধতা ৭০ ভাগ থেকে ১০ ভাগে নেমে এসেছেঃ ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০২:২৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুন ২০২৩

সংবাদ দাতাঃমেহেদী হাসান অলি

তারিখ: – ১৪ জুন, ২০২৩ খ্রি.
—————————————

জলাবদ্ধতা ৭০ ভাগ থেকে ১০ ভাগে নেমে এসেছেঃ ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস।

সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ঢাদসিক) আওতাধীন এলাকার জলাবদ্ধতা ৭০ ভাগ থেকে ১০ ভাগে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

আজ বুধবার (১৪জুন) সকালে রাজধানীর বংশাল এলাকার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডস্থ সামসাবাদ খেলার মাঠের উদ্বোধন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস এ তথ্য জানান।

ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, “২০২০ সালেও একটু বৃষ্টি হলে শহর প্লাবিত হয়ে যেতো। মনে হতো বন্যা হয়ে গেছে। সেখান থেকে আমরা জলাবদ্ধতা ১০ ভাগে নিয়ে এসেছি।”

প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় খাল ও নর্দমা সিটি করপোরেশনে হস্তান্তরের পর গৃহিত কার্যক্রমের ফলে জলমগ্ন পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে জানিয়ে ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, “বর্ষা মৌসুমে আমাদের বড় দুশ্চিন্তা অবশ্যই জলমগ্নতা এবং জলাবদ্ধতা। তবে আমরা যখন ২০২০ সালে দায়িত্ব নেই তখন খাল, নর্দমাগুলো আমাদের দায়িত্বে ছিল না। তখন অল্প বৃষ্টিতেই ঢাকা শহরের ৭০ ভাগ এলাকা জলমগ্ন হয়ে যেত, প্লাবিত হয়ে যেত। মনে হতো যেন বন্যা হয়ে গেছে। আমরা যখন সোচ্চার হয়েছি, তখন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর নেতৃত্বে খাল এবং নর্দমাগুলো আমাদের কাছে হস্থান্তর করা হয়। এরপর আমরা ১৩৬টা স্থান নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর উন্নয়ন করেছি। যার ফলে জলাবদ্ধতা ১০ ভাগে নেমে এসেছে। কিছু কিছু বিচ্ছিন্ন জায়গা ছাড়া এখন আর জলমগ্নতা নাই।”

যেসব কাজ চলমান রয়েছে সেগুলো শেষ হলে আগামী মৌসুমে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না বলেও ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস এ সময় জানান।

একটি উন্নত রাজধানী গড়ে তোলায় লক্ষ্য জানিয়ে ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, “আমাদের লক্ষ্য — একটি উন্নত রাজধানী, উন্নত ঢাকা গড়ায় ওয়ার্ডভিত্তিক পর্যাপ্ত খেলার মাঠ, উদ্যানের ব্যাবস্থা করা। উন্মুক্ত জায়গার ব্যাবস্থা করা। যেখানে ছেলে-মেয়েরা খেলতে পারবে, মুরব্বীরা হাঁটতে পারবে এবং একটু নির্মল বাতাস উপভোগ করতে পারবে, একটু সবুজায়ন থাকবে। সেই প্রেক্ষিতে আমাদের কার্যক্রম পুরোদমে চলছে।

এ সময় ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস সামসাবাদ খেলার মাঠের হাঁটার পথ (ওয়াকওয়ে) সংলগ্ন জায়গায় একটি পলাশ গাছের চারা রোপণ করেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিম, করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী আশিকুর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী আশিকুর রহমান, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী, ৪ নম্বর অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আতাহার মিয়া, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. খায়রুল বাকের, অঞ্চল-৪ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হারুনুর রশীদ, ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. আ. মান্নান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।