ঢাকা ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক গত ৮ বছর পূর্বে নির্মিত ট্রমা সেন্টারটি চালু হওয়ার ব্যাপারে দ্রুত সংসদে আলোচনা করবো- এমপি শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ  বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন শুরু, ফরম নিলেন কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন মুন্সিগঞ্জের মোল্লা কান্দি ইউনিয়নে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বাড়িঘর ভাঙচুর সহ অর্থ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে।  জাতীয় প্রেস কাউন্সিলকে শক্তিশালী করতে বহুমুখী উদ্যোগ সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে অ্যাডভোকেট আজমিরি বেগম ছন্দা বাংলাদেশ নারকোটিকস কন্ট্রোল সার্ভিস এসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হলেন রাজিউর রহমান

ঝালকাঠিতে প্রেমিকাকে হত্যার দায়ে প্রেমিকের ফাঁসি

ঝালকাঠি জেলা প্রতিনিধিঃ সৈয়দ আল ইমরান
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:৩৮:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুলাই ২০২৩ ৯৩ বার পড়া হয়েছে

ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার কলেজ ছাত্রী বেনজীর জাহান মুক্তাকে পরিকল্পিত ভাবে ছুরি দিয়ে গলাকেটে হত্যার দায়ে প্রেমিক সোহাগ মীর (২৫)কে মৃতদন্ড দিয়েছে আদালত।মঙ্গলবার ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম এ আদেশ প্রদান করেন। এসময় দন্ডপ্রাপ্ত সোহাগ মীর এজলাসে উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার (৪জুলাই) সকাল ১০টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন বলে নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রুস্তম আলী। একই সাথে তাকে দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

দন্ডপ্রাপ্ত সোহাগ কলাপাড়া উপজেলার আনিপাড়া গ্রামের সোবাহান মীরার পুত্র। হত্যান্ডের শিকার বেনজির জাহান মুক্তা জেলার নলছিটি উপজেলার বাড়ইকরণ গ্রামের জাহাঙ্গির হালাদারের মেয়ে ও ঝালকাঠি সরকারী মহিলা কলেজের বিএ প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯সালের ৪ফেব্রুয়ারী সকালে মুক্তা কলেজে রওনা দিলে বাড়ির সামনে সোহাগের সাথে দেখা হলে ব্যবহৃত মুঠো ফোনটি নিয়ে যায় সোহাগ। দুপুরে কলেজ থেকে ফেরার পথে মোবাইলটি ফেরত দেয়ার কথা বলে। মুক্তা বাড়িতে গেলে ঘরের মুঠোফোনে কল দিয়ে মোবাইল দেয়ার কথা বলে কাপুড়িয়া বাড়ি সংলগ্ন কাচা রাস্তার উপরে বটগাছের নীচে আসতে বলে। সেখানে মুক্তা আসার পরে পুর্বপরিকল্পিতভাবে সোহাগের সাথে থাকা চাকু দিয়ে মুক্তার গলায় ছুরিকাঘাত করে। পরে মুক্তা গলা চেপে ধরে চিৎকার করে বাড়িতে গিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

এঘটনায় মুক্তার পিতা জাহাঙ্গির হাওলাদার বাদী হয়ে পরের দিন ৫ফেব্রুয়ারী নলছিটি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নলছিটির থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল হালিম ওই বছরের ৩১ অক্টোবর আদালতে সোহাগকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমাদেন। আদালত ২০২১ সালের ২২ সেপ্টম্বরে চার্জ গঠন করে ১৭জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক এ আদেশ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

ঝালকাঠিতে প্রেমিকাকে হত্যার দায়ে প্রেমিকের ফাঁসি

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:৩৮:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুলাই ২০২৩

ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার কলেজ ছাত্রী বেনজীর জাহান মুক্তাকে পরিকল্পিত ভাবে ছুরি দিয়ে গলাকেটে হত্যার দায়ে প্রেমিক সোহাগ মীর (২৫)কে মৃতদন্ড দিয়েছে আদালত।মঙ্গলবার ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম এ আদেশ প্রদান করেন। এসময় দন্ডপ্রাপ্ত সোহাগ মীর এজলাসে উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার (৪জুলাই) সকাল ১০টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন বলে নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রুস্তম আলী। একই সাথে তাকে দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

দন্ডপ্রাপ্ত সোহাগ কলাপাড়া উপজেলার আনিপাড়া গ্রামের সোবাহান মীরার পুত্র। হত্যান্ডের শিকার বেনজির জাহান মুক্তা জেলার নলছিটি উপজেলার বাড়ইকরণ গ্রামের জাহাঙ্গির হালাদারের মেয়ে ও ঝালকাঠি সরকারী মহিলা কলেজের বিএ প্রথম বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।

এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯সালের ৪ফেব্রুয়ারী সকালে মুক্তা কলেজে রওনা দিলে বাড়ির সামনে সোহাগের সাথে দেখা হলে ব্যবহৃত মুঠো ফোনটি নিয়ে যায় সোহাগ। দুপুরে কলেজ থেকে ফেরার পথে মোবাইলটি ফেরত দেয়ার কথা বলে। মুক্তা বাড়িতে গেলে ঘরের মুঠোফোনে কল দিয়ে মোবাইল দেয়ার কথা বলে কাপুড়িয়া বাড়ি সংলগ্ন কাচা রাস্তার উপরে বটগাছের নীচে আসতে বলে। সেখানে মুক্তা আসার পরে পুর্বপরিকল্পিতভাবে সোহাগের সাথে থাকা চাকু দিয়ে মুক্তার গলায় ছুরিকাঘাত করে। পরে মুক্তা গলা চেপে ধরে চিৎকার করে বাড়িতে গিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

এঘটনায় মুক্তার পিতা জাহাঙ্গির হাওলাদার বাদী হয়ে পরের দিন ৫ফেব্রুয়ারী নলছিটি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নলছিটির থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুল হালিম ওই বছরের ৩১ অক্টোবর আদালতে সোহাগকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমাদেন। আদালত ২০২১ সালের ২২ সেপ্টম্বরে চার্জ গঠন করে ১৭জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক এ আদেশ দেন।