ঢাকা ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জান্নাতের মালিক আল্লাহ, আমরা উন্নয়ন দিতে পারি: আসাদুল হাবিব দুলু আবার রাজপথে হাত নাড়িয়ে জানান দিলেন আসিফ মাহমুদ, ফিরেছেন রাজপথে জুলাই যো*দ্ধা হাদির ওপর হা*ম*লা*কা*রীরা যেন কোনোভাবেই দেশ ছা*ড়তে না পারে—কড়া হুঁ*শিয়ারি প্রধান উপদেষ্টার ঢাকা মেডিকেলে গুলিবিদ্ধ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে দেখতে ছুটে গেলেন জুলাই যুদ্ধা হাসনাত আবদুল্লাহ ভিন্নমতের কণ্ঠরোধে গুলিবর্ষণ—ওসমান হাদীকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ একজন সৎ ও যোগ্য নেতা জনগণের কল্যাণকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন : শর্মিলা রহমান সিঁথি আখাউড়ায় পূর্বের রাজনৈতিক পরিচয়কে কেন্দ্র করে সাবেক যুবলীগ নেতার বাড়িতে হামলা–ভাঙচুর, নিরাপত্তাহীনতায় গৃহছাড়া আরিফুল। দেশ ও দেশের মানুষ বিএনপির কাছেই নিরাপদ — ড. জালাল কোটালীপাড়ায় জামায়তের হিন্দু শাখার ৯ নেতা-কর্মীর পদত্যাগ জিসাস কেন্দ্রীয় কমিটির ঘোষণা: ডাঃ সাবরিনা হোসেন মিষ্টির বহিষ্কারাদেশ বহাল — সকল ইউনিটকে পুনরায় সতর্কতা

তারেক রহমানের গোমর ফাঁস।

সংবাদ দাতা মোঃশাহ্দুলাল আলী হোসেন
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:৪৭:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই ২০২৩ ৩৫১ বার পড়া হয়েছে

লাইভ ভিখারী তারেকের প্রবাসীদের অর্থ আত্মসাতের প্রমানঃ

প্রবাসী অধিকার পরিষদ শুরুর দিকে তারেক সকল দেশের চ্যাটগ্রুপে যুক্তছিলো। সেখানে সে বিভিন্ন দেশের এক্টিভ সদস্যদের পার্সোনালি নক দিয়ে টাকা নিতো। পরবর্তীতে বিভিন্ন দেশের অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে সকল দেশের চ্যাট গ্রুপ থেকে রিমোভ করা হয়।

অর্থ আত্মসাতে তারেকের সহযোগী আতাউল্লাহ (সাবেক আহ্বায়ক, যুব অধিকার পরিষদ) ২০২২ সালের জুন মাসে ৩৪০ জন প্রবাসীর নিকট হতে প্রাপ্ত টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্বের কারনে লাইভ ভিখারি তারেককে যুবের অর্থ কালেকশনের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়।। (প্রমান স্বরুপ চ্যাটগ্রুপের স্ক্রিনশট পোস্টে সংযুক্ত করা হলো)

ভিখারি তারেক ৩৪০ জন প্রবাসীর নিকট হতে প্রতিমাসে নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ কালেকশন করতো। এইকাজে তার সহযোগী ছিলো পাঠান আযহার ও যুবের তৎকালীন আহ্বায়ক বোরকা নেতা আতাউল্লাহ।।

এই ৩৪০ জন প্রবাসীর কোন ডাটা বা তথ্য লাইভ ভিখারি তারেক কাউকে দেয়নি। প্রবাসী অধিকার পরিষদের পক্ষ হতে যখন বোরকা আতাউল্লাহর নিকট ৩৪০ জন প্রবাসীর তথ্য চাওয়া হয় তখন বোরকা আতাউল্লাহ নিজেই অবাক হয়ে যায় কারন তার ধারনা ছিলো ভিখারি তারেক কতজন প্রবাসীর নিকট হতে প্রতিমাসে এই ডোনেশন নিয়ে থাকে। বোরকা আতাউল্লাহকে তারেক সামান্য কিছু টাকা দিতো কিন্তু যখন প্রবাসী অধিকার পরিষদের মাধ্যমে সে জানতে পারলো এই ডোনেশনের পরিমান প্রতিমাসে প্রায় ৩.৫ লাখ হতে ৫ লাখ পর্যন্ত তখন বোরকা আতাউল্লাহ তারেকের বাটপারি বুঝতে পেরে তাকে অর্থ কমিটি হতে সরিয়ে দেয়।

প্রবাসী অধিকার পরিষদ তারেকের নিকট ৩৪০ জন প্রবাসীর তথ্য চাইলে তারেক তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। যার ফলে প্রবাসী অধিকার পরিষদ তারেককে ১৫ দিনের জন্য দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেয়।

এইবার আসুন একটা অংক করিঃ

৩৪০ জন প্রবাসীর নিকট হতে প্রতিমাসে ১০০০ টাকা নিলে তারেকের পকেটে ডুকেছে প্রতিমাসে ৩৪০*১০০০ = ৩৪০০০০ টাকা ( তিন লাখ চল্লিশ হাজার টাকা )

যদি ধরে নেই সবাই ১০০০ করে দেয় না কেউ আরো বেশি বা কম দেয় তাহলেও গড়ে ৫০০ টাকা হলেও প্রতিমাসে তারেকের প্রবাসীর টাকা আত্মসাতের পরিমান ১৭০০০০ টাকা ( এক লাখ সত্তর হাজার টাকা মাত্র)

তাহলে গত ৩ বছরে তারেক নুরুল হক নুরের নাম বিক্রি করে কত টাকা আত্মাসাৎ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তারেক রহমানের গোমর ফাঁস।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:৪৭:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ জুলাই ২০২৩

লাইভ ভিখারী তারেকের প্রবাসীদের অর্থ আত্মসাতের প্রমানঃ

প্রবাসী অধিকার পরিষদ শুরুর দিকে তারেক সকল দেশের চ্যাটগ্রুপে যুক্তছিলো। সেখানে সে বিভিন্ন দেশের এক্টিভ সদস্যদের পার্সোনালি নক দিয়ে টাকা নিতো। পরবর্তীতে বিভিন্ন দেশের অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে সকল দেশের চ্যাট গ্রুপ থেকে রিমোভ করা হয়।

অর্থ আত্মসাতে তারেকের সহযোগী আতাউল্লাহ (সাবেক আহ্বায়ক, যুব অধিকার পরিষদ) ২০২২ সালের জুন মাসে ৩৪০ জন প্রবাসীর নিকট হতে প্রাপ্ত টাকার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্বের কারনে লাইভ ভিখারি তারেককে যুবের অর্থ কালেকশনের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়।। (প্রমান স্বরুপ চ্যাটগ্রুপের স্ক্রিনশট পোস্টে সংযুক্ত করা হলো)

ভিখারি তারেক ৩৪০ জন প্রবাসীর নিকট হতে প্রতিমাসে নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ কালেকশন করতো। এইকাজে তার সহযোগী ছিলো পাঠান আযহার ও যুবের তৎকালীন আহ্বায়ক বোরকা নেতা আতাউল্লাহ।।

এই ৩৪০ জন প্রবাসীর কোন ডাটা বা তথ্য লাইভ ভিখারি তারেক কাউকে দেয়নি। প্রবাসী অধিকার পরিষদের পক্ষ হতে যখন বোরকা আতাউল্লাহর নিকট ৩৪০ জন প্রবাসীর তথ্য চাওয়া হয় তখন বোরকা আতাউল্লাহ নিজেই অবাক হয়ে যায় কারন তার ধারনা ছিলো ভিখারি তারেক কতজন প্রবাসীর নিকট হতে প্রতিমাসে এই ডোনেশন নিয়ে থাকে। বোরকা আতাউল্লাহকে তারেক সামান্য কিছু টাকা দিতো কিন্তু যখন প্রবাসী অধিকার পরিষদের মাধ্যমে সে জানতে পারলো এই ডোনেশনের পরিমান প্রতিমাসে প্রায় ৩.৫ লাখ হতে ৫ লাখ পর্যন্ত তখন বোরকা আতাউল্লাহ তারেকের বাটপারি বুঝতে পেরে তাকে অর্থ কমিটি হতে সরিয়ে দেয়।

প্রবাসী অধিকার পরিষদ তারেকের নিকট ৩৪০ জন প্রবাসীর তথ্য চাইলে তারেক তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। যার ফলে প্রবাসী অধিকার পরিষদ তারেককে ১৫ দিনের জন্য দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেয়।

এইবার আসুন একটা অংক করিঃ

৩৪০ জন প্রবাসীর নিকট হতে প্রতিমাসে ১০০০ টাকা নিলে তারেকের পকেটে ডুকেছে প্রতিমাসে ৩৪০*১০০০ = ৩৪০০০০ টাকা ( তিন লাখ চল্লিশ হাজার টাকা )

যদি ধরে নেই সবাই ১০০০ করে দেয় না কেউ আরো বেশি বা কম দেয় তাহলেও গড়ে ৫০০ টাকা হলেও প্রতিমাসে তারেকের প্রবাসীর টাকা আত্মসাতের পরিমান ১৭০০০০ টাকা ( এক লাখ সত্তর হাজার টাকা মাত্র)

তাহলে গত ৩ বছরে তারেক নুরুল হক নুরের নাম বিক্রি করে কত টাকা আত্মাসাৎ করেছে।