ঢাকা ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মর্যাদার প্রতীক—জিয়া পরিবার বাংলাদেশের সামাজিক সংস্কৃতিতে এক অনন্য উদাহরণ দাদুর পক্ষ থেকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা—দেশবাসী কাছে দোয়া চেয়েছেন জাইমা রহমান ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নের দাবি তৃণমূলে: এডভোকেট আবেদ রাজার প্রতি অগ্রাধিকার চায় কর্মীরা ডা. জুবাইদা রহমান সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে বিশেষজ্ঞ দল উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়া প্রস্তুতি—আগামীকাল ঢাকায় আসছেন ডা. জুবাইদা রহমান গরিব-দুঃখী মানুষের গল্পে মানবতার ছোঁয়া—শেরপুরে ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার গণসংযোগ হে আল্লাহ দয়াময়, তুমি সকল কিছুর মালিক। আমার মা জননী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির করিয়া দেও :তারেক রহমান হার না মানা সংগ্রামের নাম— খালেদা জিয়া বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দেশজুড়ে প্রার্থনার বন্যা এভারকেয়ার হাসপাতালে বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে তিন বাহিনীর প্রধান

পুলিশের গুলিতে এক কিশোর নিহত ফ্রান্স জুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।

সংবাদ দাতা মোঃমেহেদী হাসান অলি
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:৫৬:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জুলাই ২০২৩ ১৩৫ বার পড়া হয়েছে

পুলিশের গুলিতে এক কিশোর নিহত হওয়ার ঘটনায় গোটা ফ্রান্স জুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।দেশটির বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে ১৩০০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ফ্রান্সের রাজপথ এখনও উত্তপ্ত। বিপণিবিতানগুলোতে লুটপাটের খবরও পাওয়া গেছে। পুলিশের হাতে ওই কিশোরের মৃত্যুর চতুর্থ রাত অর্থাৎ শুক্রবার রাতে ১৩৫০টিরও বেশি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, রাজপথে ২৬৫০টি অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশের গুলিতে এক কিশোর নিহত হওয়ার ঘটনায় গোটা ফ্রান্স জুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটির বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ বিশেষ ইউনিটসহ শুক্রবার রাতে প্রায় ৪৫ হাজার কর্মকর্তাকে মোতায়েন করেছে ফ্রান্স। তারপরেও ৩১টি থানায় হামলা হয়েছে বলেও জানিয়েছে ফরাসি কর্তৃপক্ষ।
ফরাসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড দারমানা শনিবার সকালে জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে ১৩১১ জনকে আটক করা হয়েছে। উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর এটিই সবচেয়ে বড় ধরপাকড়।

গণপরিবহণগুলোকে বিক্ষোভকারীরা টার্গেট করছে বলে দেশজুড়ে সব পাবলিক বাস ও ট্রামকে রাতে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন দারমানা। বিক্ষোভকে উসকে দেওয়ার কাজে যাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে ব্যবহার করা না হয়, সেই আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। তার মতে, এসব ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো ‘খুবই সহযোগিতা করে।’

যে কিশোরের মৃত্যুর ঘটনায় এই দাঙ্গার সূত্র, শনিবার তার দাফনের কথা রয়েছে। মঙ্গলবার থেকে ফ্রান্সে এ বিক্ষোভের শুরু।ওই দিন প্যারিসের শহরতলির নঁতের একটি তল্লাশি চৌকিতে নাহেল নামের এক কিশোরকে গুলি করে হত্যা করেন এক পুলিশ কর্মকর্তা। প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে গোটা ফ্রান্সে।যা এখন সহিংসতায় রূপ নিয়েছে।

ওই পুলিশ কর্মকর্তা তার আইনজীবীর মাধ্যমে নেহালের পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। ওই পুলিশ কর্মকর্তা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বলেও জানিয়েছেন তার আইনজীবী লরেন-ফ্রাঙ্ক লিওনার্দ। কিন্তু তাতে চলমান বিক্ষোভের উত্তাপ কমেনি।

নাহেলের মা ফ্রান্স ফাইভ টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, যে পুলিশ কর্মকর্তা তার সন্তাকে হত্যা করেছেন, তার প্রতি তিনি ক্ষুদ্ধ, কিন্তু অন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের ওপর তিনি ক্ষুব্ধ নন।

আলজেরিয়া থেকে আসা এই অভিবাসী মা আরও বলেন, ‘ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরব্য চেহারার একটি কিশোর দেখেই তার জীবন কেড়ে নিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে এখন পর্যন্ত প্রায় তিন হাজারেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পুলিশের গুলিতে এক কিশোর নিহত ফ্রান্স জুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।

নিউজ প্রকাশের সময় : ১২:৫৬:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ জুলাই ২০২৩

পুলিশের গুলিতে এক কিশোর নিহত হওয়ার ঘটনায় গোটা ফ্রান্স জুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।দেশটির বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে ১৩০০ জনেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ফ্রান্সের রাজপথ এখনও উত্তপ্ত। বিপণিবিতানগুলোতে লুটপাটের খবরও পাওয়া গেছে। পুলিশের হাতে ওই কিশোরের মৃত্যুর চতুর্থ রাত অর্থাৎ শুক্রবার রাতে ১৩৫০টিরও বেশি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, রাজপথে ২৬৫০টি অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
পুলিশের গুলিতে এক কিশোর নিহত হওয়ার ঘটনায় গোটা ফ্রান্স জুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটির বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ বিশেষ ইউনিটসহ শুক্রবার রাতে প্রায় ৪৫ হাজার কর্মকর্তাকে মোতায়েন করেছে ফ্রান্স। তারপরেও ৩১টি থানায় হামলা হয়েছে বলেও জানিয়েছে ফরাসি কর্তৃপক্ষ।
ফরাসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড দারমানা শনিবার সকালে জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে ১৩১১ জনকে আটক করা হয়েছে। উত্তেজনা শুরু হওয়ার পর এটিই সবচেয়ে বড় ধরপাকড়।

গণপরিবহণগুলোকে বিক্ষোভকারীরা টার্গেট করছে বলে দেশজুড়ে সব পাবলিক বাস ও ট্রামকে রাতে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন দারমানা। বিক্ষোভকে উসকে দেওয়ার কাজে যাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে ব্যবহার করা না হয়, সেই আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। তার মতে, এসব ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো ‘খুবই সহযোগিতা করে।’

যে কিশোরের মৃত্যুর ঘটনায় এই দাঙ্গার সূত্র, শনিবার তার দাফনের কথা রয়েছে। মঙ্গলবার থেকে ফ্রান্সে এ বিক্ষোভের শুরু।ওই দিন প্যারিসের শহরতলির নঁতের একটি তল্লাশি চৌকিতে নাহেল নামের এক কিশোরকে গুলি করে হত্যা করেন এক পুলিশ কর্মকর্তা। প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে গোটা ফ্রান্সে।যা এখন সহিংসতায় রূপ নিয়েছে।

ওই পুলিশ কর্মকর্তা তার আইনজীবীর মাধ্যমে নেহালের পরিবারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। ওই পুলিশ কর্মকর্তা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বলেও জানিয়েছেন তার আইনজীবী লরেন-ফ্রাঙ্ক লিওনার্দ। কিন্তু তাতে চলমান বিক্ষোভের উত্তাপ কমেনি।

নাহেলের মা ফ্রান্স ফাইভ টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, যে পুলিশ কর্মকর্তা তার সন্তাকে হত্যা করেছেন, তার প্রতি তিনি ক্ষুদ্ধ, কিন্তু অন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের ওপর তিনি ক্ষুব্ধ নন।

আলজেরিয়া থেকে আসা এই অভিবাসী মা আরও বলেন, ‘ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরব্য চেহারার একটি কিশোর দেখেই তার জীবন কেড়ে নিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে এখন পর্যন্ত প্রায় তিন হাজারেরও বেশি বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।