ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদকমুক্ত গড়তে পুলিশের কঠোর অবস্থান, আটক ৪জন।  খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনে বৃক্ষরোপণ উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষার আহ্বান এমপি ডাঃ সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার সমুদ্রপথে বিদেশ যাত্রা বন্ধ করতেই হবে: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, এমপি হ্যানিম্যানের চিকিৎসা দর্শন আজও বিশ্বব্যাপী সমাদৃত” — ইজ্জত উল্লাহ এমপি ঘরের সিঁধ কেটে চুরির ঘটনার মূল হোতা সহ ৬ জন গ্রেফতার।  সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার নতুন যাত্রা, আনন্দে ভাসছে শেরপুর বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষে শেরপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সহায়ক উপকরণ বিতরণ শেরপুর সদর উপজেলায় খাল খনন/পুনঃখনন কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন নীরবতা আর শূন্যতার মধ্যে দিন কাটছে মোঃ সিদ্দিকুর রহমানের মানসিক অবসাদে হারিয়ে যাচ্ছে জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ সংসদ সদস্য ডাঃ সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কাকে পেয়ে আনন্দিত শেরপুরবাসী

বর্তমান সময়ে বিলুপ্ত এক পাখি।

স্বপন হোসেন (বিশেষ প্রতিনিধি)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:৩৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০২৩ ২৯৯ বার পড়া হয়েছে

বর্তমান সময়ে বিলুপ্তের পথে যেসব পাখি রয়েছে তার মধ্যে চিল অন্যতম। আকারে ভিন্ন হলেও বেশির ভাগ চিলের গড়ন হালকা। ডানা দুটি বেশ সরু ও দীর্ঘ, পা দুর্বল ও খাটো। শঙ্খচিল, কালোডানা চিল, কালোকাঁধ চিল, ভুবন চিলসহ পৃথিবীতে বিভিন্ন প্রজাতির চিল রয়েছে।

 

এদের মধ্যে বাংলাদেশে তিন প্রজাতির চিল দেখা যায়। চিলের এ প্রজাতি গুলো হচ্ছে— কালোকাঁধ চিলঃ বৈজ্ঞানিক নাম Elanus caeruleus),

শঙ্খচিলঃ বৈজ্ঞানিক নাম Haliastur indus)

ভুবন চিলঃ বৈজ্ঞানিক নাম Milvus migrans)।

 

চিল এক ধরনের শিকারি পাখি। এদের দৃষ্টিশক্তি প্রখর। শিকারের খোঁজে এরা আকাশে ডানা স্থির রেখে চক্রাকারে ঘুরে বেড়ায় । সাধারণত এরা মাছ, কীটপতঙ্গ , উভচর প্রাণী ও সরীসৃপ শিকার করে।

চিল মৃত প্রাণীও খায়। তবে বর্জ্যে তাদের রুচি কয়েক গুণ বেশি। একসময় বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্রই চিল দেখা যেত। এখন এদের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে।

এর প্রধান কারণ জলাশয়ে মাছ কমে যাওয়া, বেপরোয়া গাছ কেটে ফেলা। ফলে খাদ্য, বাসস্থান ও প্রজনন সংকট। এখন আর আগের অবস্থায় প্রাকৃতিক জলাশয়গুলো নেই। নেই পর্যাপ্ত খাবার; যেখানে তারা দলবদ্ধভাবে মাছ শিকার করে বেঁচে থাকতে পারে। বড় বড় প্রাকৃতিক গাছ গুলো অবৈধ ভাবে কেটে ধংশ করা হচ্ছে। যেখানে তারা নির্বিঘ্নে বাসা তৈরি করে ছানা উৎপাদন করতে পারত। পাখি বিশেষজ্ঞদের মতে, শস্যক্ষেতে বিষটোপ, কীটনাশকের ব্যবহার, গবাদি পশু চিকিৎসায় প্রদাহরোধক ওষুধ ব্যবহার, খাদ্যের অপর্যাপ্ততা, বাসস্থানের অভাব।ফলে খাবার ও প্রজনন সমস্যায় চিল বিলুপ্তির পথে রয়েছে। সে কারণেই আগের মতো প্রকৃতিতে সেভাবে চিলের বিচরণ চোখে পড়ছে না।

 

অতর্কিত বৃক্ষ নিধন বন্ধ, জনসচেতনতা ও সরকারের সুদৃষ্টি। এ তিন মিলে এ পাখিটি বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করা যেতে পারে। তাছাড়া বৈজ্ঞানিক গবেষণা কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে এর বংশবিস্তার সম্ভব হতে পারে।

 

লেখকঃ মো মেহেদী হাসান

সমন্বায়কঃ The wild save organisation.

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বর্তমান সময়ে বিলুপ্ত এক পাখি।

নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:৩৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০২৩

বর্তমান সময়ে বিলুপ্তের পথে যেসব পাখি রয়েছে তার মধ্যে চিল অন্যতম। আকারে ভিন্ন হলেও বেশির ভাগ চিলের গড়ন হালকা। ডানা দুটি বেশ সরু ও দীর্ঘ, পা দুর্বল ও খাটো। শঙ্খচিল, কালোডানা চিল, কালোকাঁধ চিল, ভুবন চিলসহ পৃথিবীতে বিভিন্ন প্রজাতির চিল রয়েছে।

 

এদের মধ্যে বাংলাদেশে তিন প্রজাতির চিল দেখা যায়। চিলের এ প্রজাতি গুলো হচ্ছে— কালোকাঁধ চিলঃ বৈজ্ঞানিক নাম Elanus caeruleus),

শঙ্খচিলঃ বৈজ্ঞানিক নাম Haliastur indus)

ভুবন চিলঃ বৈজ্ঞানিক নাম Milvus migrans)।

 

চিল এক ধরনের শিকারি পাখি। এদের দৃষ্টিশক্তি প্রখর। শিকারের খোঁজে এরা আকাশে ডানা স্থির রেখে চক্রাকারে ঘুরে বেড়ায় । সাধারণত এরা মাছ, কীটপতঙ্গ , উভচর প্রাণী ও সরীসৃপ শিকার করে।

চিল মৃত প্রাণীও খায়। তবে বর্জ্যে তাদের রুচি কয়েক গুণ বেশি। একসময় বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্রই চিল দেখা যেত। এখন এদের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে।

এর প্রধান কারণ জলাশয়ে মাছ কমে যাওয়া, বেপরোয়া গাছ কেটে ফেলা। ফলে খাদ্য, বাসস্থান ও প্রজনন সংকট। এখন আর আগের অবস্থায় প্রাকৃতিক জলাশয়গুলো নেই। নেই পর্যাপ্ত খাবার; যেখানে তারা দলবদ্ধভাবে মাছ শিকার করে বেঁচে থাকতে পারে। বড় বড় প্রাকৃতিক গাছ গুলো অবৈধ ভাবে কেটে ধংশ করা হচ্ছে। যেখানে তারা নির্বিঘ্নে বাসা তৈরি করে ছানা উৎপাদন করতে পারত। পাখি বিশেষজ্ঞদের মতে, শস্যক্ষেতে বিষটোপ, কীটনাশকের ব্যবহার, গবাদি পশু চিকিৎসায় প্রদাহরোধক ওষুধ ব্যবহার, খাদ্যের অপর্যাপ্ততা, বাসস্থানের অভাব।ফলে খাবার ও প্রজনন সমস্যায় চিল বিলুপ্তির পথে রয়েছে। সে কারণেই আগের মতো প্রকৃতিতে সেভাবে চিলের বিচরণ চোখে পড়ছে না।

 

অতর্কিত বৃক্ষ নিধন বন্ধ, জনসচেতনতা ও সরকারের সুদৃষ্টি। এ তিন মিলে এ পাখিটি বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করা যেতে পারে। তাছাড়া বৈজ্ঞানিক গবেষণা কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে এর বংশবিস্তার সম্ভব হতে পারে।

 

লেখকঃ মো মেহেদী হাসান

সমন্বায়কঃ The wild save organisation.