ঢাকা ১১:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদীর ওপর গু/লি/ব/র্ষ/ণের প্রতিবাদে বি/ক্ষো/ভ মিছিল জান্নাতের মালিক আল্লাহ, আমরা উন্নয়ন দিতে পারি: আসাদুল হাবিব দুলু আবার রাজপথে হাত নাড়িয়ে জানান দিলেন আসিফ মাহমুদ, ফিরেছেন রাজপথে জুলাই যো*দ্ধা হাদির ওপর হা*ম*লা*কা*রীরা যেন কোনোভাবেই দেশ ছা*ড়তে না পারে—কড়া হুঁ*শিয়ারি প্রধান উপদেষ্টার ঢাকা মেডিকেলে গুলিবিদ্ধ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে দেখতে ছুটে গেলেন জুলাই যুদ্ধা হাসনাত আবদুল্লাহ ভিন্নমতের কণ্ঠরোধে গুলিবর্ষণ—ওসমান হাদীকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনায় জনমনে উদ্বেগ ও ক্ষোভ একজন সৎ ও যোগ্য নেতা জনগণের কল্যাণকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন : শর্মিলা রহমান সিঁথি আখাউড়ায় পূর্বের রাজনৈতিক পরিচয়কে কেন্দ্র করে সাবেক যুবলীগ নেতার বাড়িতে হামলা–ভাঙচুর, নিরাপত্তাহীনতায় গৃহছাড়া আরিফুল। দেশ ও দেশের মানুষ বিএনপির কাছেই নিরাপদ — ড. জালাল কোটালীপাড়ায় জামায়তের হিন্দু শাখার ৯ নেতা-কর্মীর পদত্যাগ

বর্তমান সময়ে বিলুপ্ত এক পাখি।

স্বপন হোসেন (বিশেষ প্রতিনিধি)
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:৩৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০২৩ ২৭৭ বার পড়া হয়েছে

বর্তমান সময়ে বিলুপ্তের পথে যেসব পাখি রয়েছে তার মধ্যে চিল অন্যতম। আকারে ভিন্ন হলেও বেশির ভাগ চিলের গড়ন হালকা। ডানা দুটি বেশ সরু ও দীর্ঘ, পা দুর্বল ও খাটো। শঙ্খচিল, কালোডানা চিল, কালোকাঁধ চিল, ভুবন চিলসহ পৃথিবীতে বিভিন্ন প্রজাতির চিল রয়েছে।

 

এদের মধ্যে বাংলাদেশে তিন প্রজাতির চিল দেখা যায়। চিলের এ প্রজাতি গুলো হচ্ছে— কালোকাঁধ চিলঃ বৈজ্ঞানিক নাম Elanus caeruleus),

শঙ্খচিলঃ বৈজ্ঞানিক নাম Haliastur indus)

ভুবন চিলঃ বৈজ্ঞানিক নাম Milvus migrans)।

 

চিল এক ধরনের শিকারি পাখি। এদের দৃষ্টিশক্তি প্রখর। শিকারের খোঁজে এরা আকাশে ডানা স্থির রেখে চক্রাকারে ঘুরে বেড়ায় । সাধারণত এরা মাছ, কীটপতঙ্গ , উভচর প্রাণী ও সরীসৃপ শিকার করে।

চিল মৃত প্রাণীও খায়। তবে বর্জ্যে তাদের রুচি কয়েক গুণ বেশি। একসময় বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্রই চিল দেখা যেত। এখন এদের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে।

এর প্রধান কারণ জলাশয়ে মাছ কমে যাওয়া, বেপরোয়া গাছ কেটে ফেলা। ফলে খাদ্য, বাসস্থান ও প্রজনন সংকট। এখন আর আগের অবস্থায় প্রাকৃতিক জলাশয়গুলো নেই। নেই পর্যাপ্ত খাবার; যেখানে তারা দলবদ্ধভাবে মাছ শিকার করে বেঁচে থাকতে পারে। বড় বড় প্রাকৃতিক গাছ গুলো অবৈধ ভাবে কেটে ধংশ করা হচ্ছে। যেখানে তারা নির্বিঘ্নে বাসা তৈরি করে ছানা উৎপাদন করতে পারত। পাখি বিশেষজ্ঞদের মতে, শস্যক্ষেতে বিষটোপ, কীটনাশকের ব্যবহার, গবাদি পশু চিকিৎসায় প্রদাহরোধক ওষুধ ব্যবহার, খাদ্যের অপর্যাপ্ততা, বাসস্থানের অভাব।ফলে খাবার ও প্রজনন সমস্যায় চিল বিলুপ্তির পথে রয়েছে। সে কারণেই আগের মতো প্রকৃতিতে সেভাবে চিলের বিচরণ চোখে পড়ছে না।

 

অতর্কিত বৃক্ষ নিধন বন্ধ, জনসচেতনতা ও সরকারের সুদৃষ্টি। এ তিন মিলে এ পাখিটি বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করা যেতে পারে। তাছাড়া বৈজ্ঞানিক গবেষণা কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে এর বংশবিস্তার সম্ভব হতে পারে।

 

লেখকঃ মো মেহেদী হাসান

সমন্বায়কঃ The wild save organisation.

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বর্তমান সময়ে বিলুপ্ত এক পাখি।

নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:৩৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০২৩

বর্তমান সময়ে বিলুপ্তের পথে যেসব পাখি রয়েছে তার মধ্যে চিল অন্যতম। আকারে ভিন্ন হলেও বেশির ভাগ চিলের গড়ন হালকা। ডানা দুটি বেশ সরু ও দীর্ঘ, পা দুর্বল ও খাটো। শঙ্খচিল, কালোডানা চিল, কালোকাঁধ চিল, ভুবন চিলসহ পৃথিবীতে বিভিন্ন প্রজাতির চিল রয়েছে।

 

এদের মধ্যে বাংলাদেশে তিন প্রজাতির চিল দেখা যায়। চিলের এ প্রজাতি গুলো হচ্ছে— কালোকাঁধ চিলঃ বৈজ্ঞানিক নাম Elanus caeruleus),

শঙ্খচিলঃ বৈজ্ঞানিক নাম Haliastur indus)

ভুবন চিলঃ বৈজ্ঞানিক নাম Milvus migrans)।

 

চিল এক ধরনের শিকারি পাখি। এদের দৃষ্টিশক্তি প্রখর। শিকারের খোঁজে এরা আকাশে ডানা স্থির রেখে চক্রাকারে ঘুরে বেড়ায় । সাধারণত এরা মাছ, কীটপতঙ্গ , উভচর প্রাণী ও সরীসৃপ শিকার করে।

চিল মৃত প্রাণীও খায়। তবে বর্জ্যে তাদের রুচি কয়েক গুণ বেশি। একসময় বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্রই চিল দেখা যেত। এখন এদের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে।

এর প্রধান কারণ জলাশয়ে মাছ কমে যাওয়া, বেপরোয়া গাছ কেটে ফেলা। ফলে খাদ্য, বাসস্থান ও প্রজনন সংকট। এখন আর আগের অবস্থায় প্রাকৃতিক জলাশয়গুলো নেই। নেই পর্যাপ্ত খাবার; যেখানে তারা দলবদ্ধভাবে মাছ শিকার করে বেঁচে থাকতে পারে। বড় বড় প্রাকৃতিক গাছ গুলো অবৈধ ভাবে কেটে ধংশ করা হচ্ছে। যেখানে তারা নির্বিঘ্নে বাসা তৈরি করে ছানা উৎপাদন করতে পারত। পাখি বিশেষজ্ঞদের মতে, শস্যক্ষেতে বিষটোপ, কীটনাশকের ব্যবহার, গবাদি পশু চিকিৎসায় প্রদাহরোধক ওষুধ ব্যবহার, খাদ্যের অপর্যাপ্ততা, বাসস্থানের অভাব।ফলে খাবার ও প্রজনন সমস্যায় চিল বিলুপ্তির পথে রয়েছে। সে কারণেই আগের মতো প্রকৃতিতে সেভাবে চিলের বিচরণ চোখে পড়ছে না।

 

অতর্কিত বৃক্ষ নিধন বন্ধ, জনসচেতনতা ও সরকারের সুদৃষ্টি। এ তিন মিলে এ পাখিটি বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করা যেতে পারে। তাছাড়া বৈজ্ঞানিক গবেষণা কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে এর বংশবিস্তার সম্ভব হতে পারে।

 

লেখকঃ মো মেহেদী হাসান

সমন্বায়কঃ The wild save organisation.