ঢাকা ০৮:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মাদকমুক্ত গড়তে পুলিশের কঠোর অবস্থান, আটক ৪জন।  খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনে বৃক্ষরোপণ উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষার আহ্বান এমপি ডাঃ সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার সমুদ্রপথে বিদেশ যাত্রা বন্ধ করতেই হবে: প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, এমপি হ্যানিম্যানের চিকিৎসা দর্শন আজও বিশ্বব্যাপী সমাদৃত” — ইজ্জত উল্লাহ এমপি ঘরের সিঁধ কেটে চুরির ঘটনার মূল হোতা সহ ৬ জন গ্রেফতার।  সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার নতুন যাত্রা, আনন্দে ভাসছে শেরপুর বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষে শেরপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সহায়ক উপকরণ বিতরণ শেরপুর সদর উপজেলায় খাল খনন/পুনঃখনন কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন নীরবতা আর শূন্যতার মধ্যে দিন কাটছে মোঃ সিদ্দিকুর রহমানের মানসিক অবসাদে হারিয়ে যাচ্ছে জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ সংসদ সদস্য ডাঃ সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কাকে পেয়ে আনন্দিত শেরপুরবাসী

বেড়েছে লোডশেডিং আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা

রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম 
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:২৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মার্চ ২০২৪ ৮৬ বার পড়া হয়েছে

দেশে গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা। কিন্তু জ্বালানি সংকট থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তাই শুরু হয়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। বিশেষ করে গ্রামগঞ্জে লোডশেডিং বেড়েছে। ফলে ভোগান্তি তৈরি হচ্ছে জনজীবনে।দেশে বর্তমানে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা উত্পাদনসক্ষমতার অর্ধেকের কম। বেশকিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকছে। সক্ষমতার অর্ধেকেরও কম উৎপাদন করছে অনেকগুলো কেন্দ্র। দেশীয় উৎস থেকে জ্বালানির চাহিদা মেটাতে না পারায় এবং জ্বালানি আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় টাকা ও মার্কিন ডলারের জোগান না থাকায় তেল-গ্যাস-কয়লা আমদানিতে ভাটা পড়েছে। দুইটি এলএনজি টার্মিনালের একটি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পরিচালন বন্ধ রেখেছে। আগামী এপ্রিলের শুরুর দিকে গ্যাস সরবরাহ শুরু করতে পারবে। এমন পরিস্থিতিতে এ বছরের সামনের দিনগুলোতে গরম বৃদ্ধির সঙ্গে লোডশেডিংয়ের ব্যাপ্তি ও পরিমাণ বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।বিদ্যুৎ বিভাগ এবং বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্র জানায়, বর্তমানে দিনে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা প্রায় ১২ হাজার মেগাওয়াট। এপ্রিলে এটি ১৭ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে প্রাক্কলন রয়েছে। জ্বালানি তথা তেল, গ্যাস ও কয়লার সরবরাহ না বাড়ালে তখন লোডশেডিং-জনিত সংকট বাড়বে। পিডিবি ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) সূত্র বলছে, দেশে এখন বিদ্যুৎ উত্পাদনসক্ষমতা প্রায় ২৬ হাজার মেগাওয়াট। গত সোমবার দিনে সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল দুপুর তিনটায় ১২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। ঐ সময়ে সরবরাহে সাবস্টেশন পর্যায়ে ঘাটতি ছিল ৭৫৭ মেগাওয়াট। অর্থাৎ তখন গ্রাহক পর্যায়ে ৭৫৭ মেগাওয়াট বা তারচেয়ে বেশি লোডশেডিং করা হয়।ঢাকায় বিদ্যুৎ বিতরণকারী দুই সংস্থা ডিপিডিসি ও ডেসকো জানায়, সরবরাহ ঘাটতির কারণে লোডশেডিং হচ্ছে না। তবে কারিগরি ত্রুটির কারণে কিছু কিছু এলাকায় বিভিন্ন সময় বিদ্যুৎ-বিভ্রাট হচ্ছে। গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থা পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) সূত্র জানায়, তারা চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ পাচ্ছে না। তাই বিতরণেও ঘাটতি দেখা দিয়েছে। গত সোমবার দিনে সংস্থাটি চাহিদার চেয়ে ঘণ্টায় প্রায় ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কম পেয়েছে। বিশেষ করে ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর, টাঙ্গাইলে এবং কুমিল্লায় কিছু স্থানে অপেক্ষাকৃত বেশি লোডশেডিং হচ্ছে। কোথাও কোথাও দৈনিক ছয় থেকে আট ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। চট্টগ্রাম, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জেও লোডশেডিংয়ের অভিযোগ রয়েছে ভোক্তাদের। লোডশেডিং কম হচ্ছে বরিশালে।এ প্রসঙ্গে পিডিবির এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, চাহিদার চেয়ে গ্যাসের সরবরাহ কম হওয়ায় গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হচ্ছে। তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোও পুরোদমে চালানো যাচ্ছে না। এতে কিছুটা ঘাটতি তৈরি হয়েছে। তবে এপ্রিলে চাহিদা বাড়লেও সরবরাহ বৃদ্ধির ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে দৈনিক অন্তত ২৩২ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই চাহিদামাফিক গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলোতে সক্ষমতার অর্ধেকও উৎপাদন হচ্ছে না। বর্তমানে সরবরাহ করা হচ্ছে ৮৭-৮৮ কোটি ঘনফুট। গ্রীষ্মে পিডিবি অন্তত ১৫০ কোটি ঘনফুট সরবরাহের দাবি জানিয়েছে পেট্রোবাংলাকে। সোমবার দিনে গ্যাস থেকে সর্বোচ্চ উৎপাদন করা হয়েছে সোয়া ৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। কয়লা থেকে বিদ্যুৎ উত্পাদনসক্ষমতা সাড়ে ৪ হাজার মেগাওয়াট। সেখান থেকে সর্বোচ্চ উৎপাদন করা হচ্ছে প্রায় ৪ হাজার মেগাওয়াট। তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর সম্মিলিত বিদ্যুৎ উত্পাদনসক্ষমতা প্রায় ৭ হাজার মেগাওয়াট হলেও এগুলো থেকে দিনে ১ হাজার মেগাওয়াটের কম বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। রাতে তেলভিত্তিক কেন্দ্র থেকে উৎপাদন করা হচ্ছে সর্বোচ্চ ২.৫০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। কারণ, বেসরকারি খাতের তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো তেল আমদানির জন্য পর্যাপ্ত ডলার পাচ্ছে না। পিডিবির কাছে বড় অঙ্কের বকেয়া পড়েছে তাদের। ফলে তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোতেও খুব বেশি উৎপাদন বাড়ানো যাচ্ছে না।বিদ্যুৎ বিভাগের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, জ্বালানির অভাবে বা আমদানি করতে না পারায় গত দুই বছর গরমের সময় লোডশেডিং বেড়েছিল। শহরের দুই-তিন ঘণ্টার লোডশেডিং হলেও গ্রামে ৮-১০ ঘণ্টার বেশি লোডশেডিংয়ের অভিযোগ ছিল গ্রাহকদের। এবারও তেমন পরিস্থিতি হতে পারে। কেননা পর্যাপ্ত জ্বালানি আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় টাকা-ডলারের সংস্থান নেই। বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে অর্থের জোগান বাড়ানো হচ্ছে। তবে সেটাও যথেষ্ট হবে না এবার।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

বেড়েছে লোডশেডিং আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:২৫:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মার্চ ২০২৪

দেশে গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা। কিন্তু জ্বালানি সংকট থাকায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তাই শুরু হয়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। বিশেষ করে গ্রামগঞ্জে লোডশেডিং বেড়েছে। ফলে ভোগান্তি তৈরি হচ্ছে জনজীবনে।দেশে বর্তমানে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা উত্পাদনসক্ষমতার অর্ধেকের কম। বেশকিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকছে। সক্ষমতার অর্ধেকেরও কম উৎপাদন করছে অনেকগুলো কেন্দ্র। দেশীয় উৎস থেকে জ্বালানির চাহিদা মেটাতে না পারায় এবং জ্বালানি আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় টাকা ও মার্কিন ডলারের জোগান না থাকায় তেল-গ্যাস-কয়লা আমদানিতে ভাটা পড়েছে। দুইটি এলএনজি টার্মিনালের একটি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য পরিচালন বন্ধ রেখেছে। আগামী এপ্রিলের শুরুর দিকে গ্যাস সরবরাহ শুরু করতে পারবে। এমন পরিস্থিতিতে এ বছরের সামনের দিনগুলোতে গরম বৃদ্ধির সঙ্গে লোডশেডিংয়ের ব্যাপ্তি ও পরিমাণ বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।বিদ্যুৎ বিভাগ এবং বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্র জানায়, বর্তমানে দিনে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা প্রায় ১২ হাজার মেগাওয়াট। এপ্রিলে এটি ১৭ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে প্রাক্কলন রয়েছে। জ্বালানি তথা তেল, গ্যাস ও কয়লার সরবরাহ না বাড়ালে তখন লোডশেডিং-জনিত সংকট বাড়বে। পিডিবি ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) সূত্র বলছে, দেশে এখন বিদ্যুৎ উত্পাদনসক্ষমতা প্রায় ২৬ হাজার মেগাওয়াট। গত সোমবার দিনে সর্বোচ্চ চাহিদা ছিল দুপুর তিনটায় ১২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। ঐ সময়ে সরবরাহে সাবস্টেশন পর্যায়ে ঘাটতি ছিল ৭৫৭ মেগাওয়াট। অর্থাৎ তখন গ্রাহক পর্যায়ে ৭৫৭ মেগাওয়াট বা তারচেয়ে বেশি লোডশেডিং করা হয়।ঢাকায় বিদ্যুৎ বিতরণকারী দুই সংস্থা ডিপিডিসি ও ডেসকো জানায়, সরবরাহ ঘাটতির কারণে লোডশেডিং হচ্ছে না। তবে কারিগরি ত্রুটির কারণে কিছু কিছু এলাকায় বিভিন্ন সময় বিদ্যুৎ-বিভ্রাট হচ্ছে। গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থা পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) সূত্র জানায়, তারা চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ পাচ্ছে না। তাই বিতরণেও ঘাটতি দেখা দিয়েছে। গত সোমবার দিনে সংস্থাটি চাহিদার চেয়ে ঘণ্টায় প্রায় ৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কম পেয়েছে। বিশেষ করে ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর, টাঙ্গাইলে এবং কুমিল্লায় কিছু স্থানে অপেক্ষাকৃত বেশি লোডশেডিং হচ্ছে। কোথাও কোথাও দৈনিক ছয় থেকে আট ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। চট্টগ্রাম, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জেও লোডশেডিংয়ের অভিযোগ রয়েছে ভোক্তাদের। লোডশেডিং কম হচ্ছে বরিশালে।এ প্রসঙ্গে পিডিবির এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, চাহিদার চেয়ে গ্যাসের সরবরাহ কম হওয়ায় গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কম হচ্ছে। তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোও পুরোদমে চালানো যাচ্ছে না। এতে কিছুটা ঘাটতি তৈরি হয়েছে। তবে এপ্রিলে চাহিদা বাড়লেও সরবরাহ বৃদ্ধির ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে দৈনিক অন্তত ২৩২ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই চাহিদামাফিক গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলোতে সক্ষমতার অর্ধেকও উৎপাদন হচ্ছে না। বর্তমানে সরবরাহ করা হচ্ছে ৮৭-৮৮ কোটি ঘনফুট। গ্রীষ্মে পিডিবি অন্তত ১৫০ কোটি ঘনফুট সরবরাহের দাবি জানিয়েছে পেট্রোবাংলাকে। সোমবার দিনে গ্যাস থেকে সর্বোচ্চ উৎপাদন করা হয়েছে সোয়া ৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। কয়লা থেকে বিদ্যুৎ উত্পাদনসক্ষমতা সাড়ে ৪ হাজার মেগাওয়াট। সেখান থেকে সর্বোচ্চ উৎপাদন করা হচ্ছে প্রায় ৪ হাজার মেগাওয়াট। তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর সম্মিলিত বিদ্যুৎ উত্পাদনসক্ষমতা প্রায় ৭ হাজার মেগাওয়াট হলেও এগুলো থেকে দিনে ১ হাজার মেগাওয়াটের কম বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। রাতে তেলভিত্তিক কেন্দ্র থেকে উৎপাদন করা হচ্ছে সর্বোচ্চ ২.৫০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। কারণ, বেসরকারি খাতের তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো তেল আমদানির জন্য পর্যাপ্ত ডলার পাচ্ছে না। পিডিবির কাছে বড় অঙ্কের বকেয়া পড়েছে তাদের। ফলে তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোতেও খুব বেশি উৎপাদন বাড়ানো যাচ্ছে না।বিদ্যুৎ বিভাগের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, জ্বালানির অভাবে বা আমদানি করতে না পারায় গত দুই বছর গরমের সময় লোডশেডিং বেড়েছিল। শহরের দুই-তিন ঘণ্টার লোডশেডিং হলেও গ্রামে ৮-১০ ঘণ্টার বেশি লোডশেডিংয়ের অভিযোগ ছিল গ্রাহকদের। এবারও তেমন পরিস্থিতি হতে পারে। কেননা পর্যাপ্ত জ্বালানি আমদানির জন্য প্রয়োজনীয় টাকা-ডলারের সংস্থান নেই। বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে অর্থের জোগান বাড়ানো হচ্ছে। তবে সেটাও যথেষ্ট হবে না এবার।