ঢাকা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দূর্নীতি অনিয়মের পটুয়াখালী জেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।  ডা. মাহমুদা মিতু: চিকিৎসক থেকে জনমানুষের রাজনীতির অনুপ্রেরণা ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন। 

মাটির টানে বারে বারে ফিরে আসেন।

রিপোর্টার মো: সিপন রানা
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:০০:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জুন ২০২৩ ২৬১ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যমুনা পাড়ে বসে আছেন যিনি তিনদিন আগে যমুনা নদী কেড়ে নিয়েছে তার শেষ সম্বল ভিটে মাটিটুকু। অদূরে কারো উঠোনে পরিবারের সাময়িক ঠাঁই হলেও তার চিরচেনা সেই মাটির টানে বারে বারে ফিরে আসেন বিলীন হয়ে যাওয়া সুখে-দুখে আজন্ম লালিত আপন আবাসটুকু খুঁজতে। যার নুন আনতে পান্তা ফুরাতো, সেকি আর পারবে তার নিজ আবাস গড়তে। হয়তো তার কাটবে ভূমিহীনের তকমা নিয়ে অনাদরে অবহেলায় খরকুটোর মতো ভাসমান বাকী জীবন। সে যে দেশে বাস করেন সেখানে তো সরকার আছে, প্রশাসন আছে, বাজেট আছে, মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার কথা আছে, মানুষের স্বপ্ন পূরণের বাজনৈতিক অঙ্গীকার আছে, নদী ভাঙ্গন রোধের জন্য কতশত জনবল, বিত্ত, কর্তৃপক্ষ আছে। তাহলে দীর্ঘদিন একটু একটু করে ঘটে যাওয়া ভাঙ্গন কেন এত সর্বনাশা রূপ নিল? আরো আগে ব্যবস্থা নিলে আজ তো সখিনা-রহিমাদের ঘরবাড়ি হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করতে হতো না। এর জন্য কত অর্থের প্রয়োজন হতো? একশ, দুশো, পাঁচশো, হাজার কোটি? এখনতো হাজার হাজার একর ফসলী জমি, সম্পদ আর লক্ষ লোকের অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্টের মূল্য কি তার তুলনায় নগন্য নয়? একটি সমৃদ্ধ জনপদের ধ্বংস হলে সমস্যা কতশত গুণিতক হারে বাড়ে তার কি কোন গবেষণা/পরিসংখ্যান আছে? নাকি কর্তৃপক্ষের ভাবনায় আছে?

অখন্ড দৃঢভাবে বিশ্বাস করি, নাগরপুরের দপ্তিয়র, ধুবড়িয়া, সলিমাবাদ ইউনিয়নের অধিবাসীদের জানমাল, সহায়-সম্পদ রক্ষার জন্য নিশ্চয়ই সরকার এগিয়ে আসবে, এগিয়ে আসবেন জনমানুষের নেতৃবৃন্দ। আশা করছি, দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে। মানুষের আস্থা এ ভালবাসা বৃদ্ধি পাবে সরকার ও নেতৃবৃন্দের প্রতি।
হে পরম করুণাময়, ভাংগন রোধে সকলকে এগিয়ে আসার সুমতি দাও।

ছবিটি তুলেছেন হাফেজ সেতাব আলী শিকদার

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মাটির টানে বারে বারে ফিরে আসেন।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৫:০০:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জুন ২০২৩

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যমুনা পাড়ে বসে আছেন যিনি তিনদিন আগে যমুনা নদী কেড়ে নিয়েছে তার শেষ সম্বল ভিটে মাটিটুকু। অদূরে কারো উঠোনে পরিবারের সাময়িক ঠাঁই হলেও তার চিরচেনা সেই মাটির টানে বারে বারে ফিরে আসেন বিলীন হয়ে যাওয়া সুখে-দুখে আজন্ম লালিত আপন আবাসটুকু খুঁজতে। যার নুন আনতে পান্তা ফুরাতো, সেকি আর পারবে তার নিজ আবাস গড়তে। হয়তো তার কাটবে ভূমিহীনের তকমা নিয়ে অনাদরে অবহেলায় খরকুটোর মতো ভাসমান বাকী জীবন। সে যে দেশে বাস করেন সেখানে তো সরকার আছে, প্রশাসন আছে, বাজেট আছে, মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার কথা আছে, মানুষের স্বপ্ন পূরণের বাজনৈতিক অঙ্গীকার আছে, নদী ভাঙ্গন রোধের জন্য কতশত জনবল, বিত্ত, কর্তৃপক্ষ আছে। তাহলে দীর্ঘদিন একটু একটু করে ঘটে যাওয়া ভাঙ্গন কেন এত সর্বনাশা রূপ নিল? আরো আগে ব্যবস্থা নিলে আজ তো সখিনা-রহিমাদের ঘরবাড়ি হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করতে হতো না। এর জন্য কত অর্থের প্রয়োজন হতো? একশ, দুশো, পাঁচশো, হাজার কোটি? এখনতো হাজার হাজার একর ফসলী জমি, সম্পদ আর লক্ষ লোকের অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্টের মূল্য কি তার তুলনায় নগন্য নয়? একটি সমৃদ্ধ জনপদের ধ্বংস হলে সমস্যা কতশত গুণিতক হারে বাড়ে তার কি কোন গবেষণা/পরিসংখ্যান আছে? নাকি কর্তৃপক্ষের ভাবনায় আছে?

অখন্ড দৃঢভাবে বিশ্বাস করি, নাগরপুরের দপ্তিয়র, ধুবড়িয়া, সলিমাবাদ ইউনিয়নের অধিবাসীদের জানমাল, সহায়-সম্পদ রক্ষার জন্য নিশ্চয়ই সরকার এগিয়ে আসবে, এগিয়ে আসবেন জনমানুষের নেতৃবৃন্দ। আশা করছি, দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে। মানুষের আস্থা এ ভালবাসা বৃদ্ধি পাবে সরকার ও নেতৃবৃন্দের প্রতি।
হে পরম করুণাময়, ভাংগন রোধে সকলকে এগিয়ে আসার সুমতি দাও।

ছবিটি তুলেছেন হাফেজ সেতাব আলী শিকদার