ঢাকা ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কর্মজীবী নারীদের অবমাননাকর বক্তব্যের প্রতিবাদে প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সিলেট কমিউনিটি ইন সাউথ কোরিয়া’র ২০২৬ সালের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা কেরাণীগঞ্জে বিএনপির নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত ভোলা আমার বাপের বাড়ি মার্কা মোদের গরুর গাড়ি”—ভোলায় সমাবেশে ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ দক্ষিণ কোরিয়া  জংওয়াং মসজিদ এন্ড ইসলামিক সেন্টারের উদ্যোগে সল্লাল উপলক্ষে ওয়াজ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তারেক রহমানের ধানের শীষ, ভিপি নুরুল হক নূরের ট্রাক, পার্থর, গরুর গাড়ি মার্কা—তিন নায়ক, এক দেশ: নতুন করে জেগে উঠছে বাংলাদেশ শবে বরাত উপলক্ষে মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে এমপি প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর পক্ষ থেকে হতদরিদ্রদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ জামায়াতের আমীরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার: প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ দূর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজদের সংসদে পাঠিয়ে নিরাপত্তা প্রত্যাশা প্রশাসনের কাছে  : সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ্জামান নিরাপত্তা ছাড়াই রাজপথে তারেক রহমানের পক্ষে ভোট চাইতে নামলেন শর্মিলা রহমান সিঁথি

সংগ্রাম, ত্যা/গ আর র/ক্তে/র ইতিহাসে লেখা এক পরিবার: জিয়াউর রহমান থেকে খালেদা জিয়া

রিপোর্ট: রফিকুল ইসলাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:২৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬ ৯১ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্ট: রফিকুল ইসলাম

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জীবন কেবল ক্ষমতার গল্প নয়—এটি ত্যাগ, সংগ্রাম ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের এক দীর্ঘ অধ্যায়।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন ব্যতিক্রমী এক নেতা। ব্যক্তিগত বিলাসিতা থেকে তিনি ছিলেন বহু দূরে। রাষ্ট্রপ্রধান হয়েও তিনি কখনো সরকারি গাড়ি কেনেননি। অনেক সময় পায়ে হেঁটে, কখনো রিকশায় চড়েই অফিসে যেতেন—যা আজকের রাজনীতিতে বিরল এক দৃষ্টান্ত। দেশের মানুষের জন্য খাল খনন, অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং সর্বোপরি মহান মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ ছিল তাঁর জীবনের গর্বের অধ্যায়।
কিন্তু সেই দেশপ্রেমিক নেতাকেই নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়ে তাঁকে সপরিবারে হারাতে হয় জাতিকে। অনেকের মতে, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী শক্তি—যাদের জনগণ ‘হায়েনার দল’ বলে আখ্যায়িত করে—এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে জড়িত ছিল।
এরপর শুরু হয় আরেক সংগ্রাম—বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রাম। স্বামী হত্যার বেদনা বুকে নিয়েও তিনি রাজপথে নেমেছেন দেশের মানুষের অধিকারের জন্য। দীর্ঘদিন কারাবরণ করেছেন, সহ্য করেছেন একের পর এক মামলা ও মিথ্যা অপবাদ। তাঁর সমর্থকদের দাবি, ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে তাঁকে রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।
এই সময়ে দেশের মানুষও কম কষ্ট পায়নি। আন্দোলন-সংগ্রামে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, অসংখ্য পরিবার সন্তানহারা ও ঘরছাড়া হয়েছে। তবুও রাজপথ ছাড়েনি বিরোধী শক্তি। নিজের হাতে ব্যানার তুলে সাধারণ মানুষই নেমে এসেছে রাস্তায়—ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের দাবিতে।
আজ দৃশ্যপট বদলাচ্ছে। যারা একসময় দমন-পীড়নের নেতৃত্ব দিয়েছে বলে অভিযোগ, তাদের অনেকেই দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে। কিন্তু ক্ষত এখনো রয়ে গেছে—মায়ের চোখের পানি শুকায়নি, বাংলার মানুষ ভুলে যায়নি তাদের কষ্টের কথা।
এই প্রতিবেদন শুধু একটি রাজনৈতিক পরিবারের কথা নয়; এটি একটি জাতির দীর্ঘ লড়াই, বেদনা ও প্রতিরোধের প্রতিচ্ছবি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সংগ্রাম, ত্যা/গ আর র/ক্তে/র ইতিহাসে লেখা এক পরিবার: জিয়াউর রহমান থেকে খালেদা জিয়া

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:২৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

রিপোর্ট: রফিকুল ইসলাম

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জীবন কেবল ক্ষমতার গল্প নয়—এটি ত্যাগ, সংগ্রাম ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের এক দীর্ঘ অধ্যায়।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন ব্যতিক্রমী এক নেতা। ব্যক্তিগত বিলাসিতা থেকে তিনি ছিলেন বহু দূরে। রাষ্ট্রপ্রধান হয়েও তিনি কখনো সরকারি গাড়ি কেনেননি। অনেক সময় পায়ে হেঁটে, কখনো রিকশায় চড়েই অফিসে যেতেন—যা আজকের রাজনীতিতে বিরল এক দৃষ্টান্ত। দেশের মানুষের জন্য খাল খনন, অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং সর্বোপরি মহান মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ ছিল তাঁর জীবনের গর্বের অধ্যায়।
কিন্তু সেই দেশপ্রেমিক নেতাকেই নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়ে তাঁকে সপরিবারে হারাতে হয় জাতিকে। অনেকের মতে, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী শক্তি—যাদের জনগণ ‘হায়েনার দল’ বলে আখ্যায়িত করে—এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে জড়িত ছিল।
এরপর শুরু হয় আরেক সংগ্রাম—বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রাম। স্বামী হত্যার বেদনা বুকে নিয়েও তিনি রাজপথে নেমেছেন দেশের মানুষের অধিকারের জন্য। দীর্ঘদিন কারাবরণ করেছেন, সহ্য করেছেন একের পর এক মামলা ও মিথ্যা অপবাদ। তাঁর সমর্থকদের দাবি, ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে তাঁকে রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে।
এই সময়ে দেশের মানুষও কম কষ্ট পায়নি। আন্দোলন-সংগ্রামে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছে, অসংখ্য পরিবার সন্তানহারা ও ঘরছাড়া হয়েছে। তবুও রাজপথ ছাড়েনি বিরোধী শক্তি। নিজের হাতে ব্যানার তুলে সাধারণ মানুষই নেমে এসেছে রাস্তায়—ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্রের দাবিতে।
আজ দৃশ্যপট বদলাচ্ছে। যারা একসময় দমন-পীড়নের নেতৃত্ব দিয়েছে বলে অভিযোগ, তাদের অনেকেই দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে। কিন্তু ক্ষত এখনো রয়ে গেছে—মায়ের চোখের পানি শুকায়নি, বাংলার মানুষ ভুলে যায়নি তাদের কষ্টের কথা।
এই প্রতিবেদন শুধু একটি রাজনৈতিক পরিবারের কথা নয়; এটি একটি জাতির দীর্ঘ লড়াই, বেদনা ও প্রতিরোধের প্রতিচ্ছবি।