ঢাকা ০২:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দূর্নীতি অনিয়মের পটুয়াখালী জেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।  ডা. মাহমুদা মিতু: চিকিৎসক থেকে জনমানুষের রাজনীতির অনুপ্রেরণা ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন। 

একই প্রকল্পের দুই নীতির নিরসন চায় তারা।

রিপোর্টার : সাদিয়া আক্তার 
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:৩১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০২৪ ১৫৪ বার পড়া হয়েছে

মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছে সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কর্মসূচির(সিভিডিপি) ১২৬ জন কর্মচারী।সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কর্মসূচি পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনের একটি প্রকল্প।যা ১৯৭৫ সাল থেকে চালু রয়েছে। কর্মচারীরা জানায়,২০১৫ সাল থেকে লাঞ্চিত এবং বৈষম্যের শিকার।২০১৫ তে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর ২২৩ জন কর্মচারী চাকরি হারা হয়ে পরে। কিন্তু তাদের দাবি CVDP তে উল্লেখ করা ছিলো,জনবলদের মেয়াদ শেষ হলে তাদের রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করা হবে। দরখাস্ত করেও আশানুরূপ ফল তারা পায়নি। অর্ধেক জনবল হাইকোর্টে রিট করার পর তাদের‌ সমবায় অধিদপ্তরের আওতাধীন করা হয়। কিন্তু বাকিরা আবারো হাইকোর্টে রিট করেও কোনো সম্ভাবনার পথ দেখেনি।ভুক্তভোগী আমিনুর রহমান বলেন,”মামলাতে আমাদের পক্ষে রায় হলেও বৈষম্যের সরকার থেকে বিভিন্ন প্রলোভন আমরা পাই। কিন্তু সেখানে আমাদের নিয়োগ দেওয়া হয়নি। সচিবালয়ে বহুবার এলেও তারা আমাদের ঘুরিয়েছে”।তারা জানায় , তাদের কোনো চিঠি ছাড়া চাকরি থেকে বের করে দেওয়া হয়। জিগ্যেস করলে কোনো সদুত্তর তারা পায়নি। তাদের ধারণা বিগত সরকারের কাছের লোকদের রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করা হয়েছে।একই দিনে,একই তারিখে কাজে যোগ দেওয়া সত্ত্বেও অর্ধেক কে সরকারি চাকরি দেওয়া হয়েছে কিন্তু বাকি অর্ধেককে দেওয়া হয়নি।তারা নিলফামারী, বগুড়া,বরগুনা, বরিশালসহ বিভিন্ন জেলা থেকে সচিবালয়ের সামনে এসে অবস্থান করছে।তারা প্রধান উপদেষ্টার কাছে নায্য অধিকারের জন্য আকুল আবেদন জানায়।এই সাথে তারা তাদের দাবি আদায় না হওয়া অব্দি এই কর্মসূচি চলমান রাখার অঙ্গীকার জানায়।সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কর্মসূচী বিগত সরকারের অর্থায়নে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ কর্তৃক জাতীয় কর্মসূচী হিসাবে ২০০৫ সাল থেকে বাস্তবায়নাধীন। গ্রামের সকল শ্রেণী ও পেশার জনগোষ্ঠীকে একক সমবায় সংগঠনের আওতায় এনে তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সাধন করা কর্মসূচীর প্রধান উদ্দেশ্য। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে গ্রাম ভিত্তিক একক সমবায় সংগঠনের আওতায় গ্রামের ধনী-দরিদ্র, নারী-পুরুষ, কিশোর-কিশোরী নির্বিশেষে সকল পেশা ও শ্রেণীর জনগোষ্ঠীকে সংগঠিত করে তাদের আর্থ-সামাজিক তথ্য সামগ্রিক উন্নয়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য মোচন করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

একই প্রকল্পের দুই নীতির নিরসন চায় তারা।

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৭:৩১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০২৪

মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছে সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কর্মসূচির(সিভিডিপি) ১২৬ জন কর্মচারী।সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কর্মসূচি পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনের একটি প্রকল্প।যা ১৯৭৫ সাল থেকে চালু রয়েছে। কর্মচারীরা জানায়,২০১৫ সাল থেকে লাঞ্চিত এবং বৈষম্যের শিকার।২০১৫ তে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর ২২৩ জন কর্মচারী চাকরি হারা হয়ে পরে। কিন্তু তাদের দাবি CVDP তে উল্লেখ করা ছিলো,জনবলদের মেয়াদ শেষ হলে তাদের রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করা হবে। দরখাস্ত করেও আশানুরূপ ফল তারা পায়নি। অর্ধেক জনবল হাইকোর্টে রিট করার পর তাদের‌ সমবায় অধিদপ্তরের আওতাধীন করা হয়। কিন্তু বাকিরা আবারো হাইকোর্টে রিট করেও কোনো সম্ভাবনার পথ দেখেনি।ভুক্তভোগী আমিনুর রহমান বলেন,”মামলাতে আমাদের পক্ষে রায় হলেও বৈষম্যের সরকার থেকে বিভিন্ন প্রলোভন আমরা পাই। কিন্তু সেখানে আমাদের নিয়োগ দেওয়া হয়নি। সচিবালয়ে বহুবার এলেও তারা আমাদের ঘুরিয়েছে”।তারা জানায় , তাদের কোনো চিঠি ছাড়া চাকরি থেকে বের করে দেওয়া হয়। জিগ্যেস করলে কোনো সদুত্তর তারা পায়নি। তাদের ধারণা বিগত সরকারের কাছের লোকদের রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করা হয়েছে।একই দিনে,একই তারিখে কাজে যোগ দেওয়া সত্ত্বেও অর্ধেক কে সরকারি চাকরি দেওয়া হয়েছে কিন্তু বাকি অর্ধেককে দেওয়া হয়নি।তারা নিলফামারী, বগুড়া,বরগুনা, বরিশালসহ বিভিন্ন জেলা থেকে সচিবালয়ের সামনে এসে অবস্থান করছে।তারা প্রধান উপদেষ্টার কাছে নায্য অধিকারের জন্য আকুল আবেদন জানায়।এই সাথে তারা তাদের দাবি আদায় না হওয়া অব্দি এই কর্মসূচি চলমান রাখার অঙ্গীকার জানায়।সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কর্মসূচী বিগত সরকারের অর্থায়নে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ কর্তৃক জাতীয় কর্মসূচী হিসাবে ২০০৫ সাল থেকে বাস্তবায়নাধীন। গ্রামের সকল শ্রেণী ও পেশার জনগোষ্ঠীকে একক সমবায় সংগঠনের আওতায় এনে তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সাধন করা কর্মসূচীর প্রধান উদ্দেশ্য। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে গ্রাম ভিত্তিক একক সমবায় সংগঠনের আওতায় গ্রামের ধনী-দরিদ্র, নারী-পুরুষ, কিশোর-কিশোরী নির্বিশেষে সকল পেশা ও শ্রেণীর জনগোষ্ঠীকে সংগঠিত করে তাদের আর্থ-সামাজিক তথ্য সামগ্রিক উন্নয়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য মোচন করা।