চট্টগ্রামে হারিয়ে যাওয়া ১০১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার, মালিকদের হাতে তুলে দিল জেলা পুলিশ

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬ ১৪ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে হারিয়ে যাওয়া ১০১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে জেলা পুলিশ। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরের নাসিরাবাদে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনগুলো প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জনগণের হারানো সম্পদ উদ্ধারে এবং জনমুখী পুলিশি সেবাকে আরও কার্যকর ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের অংশ হিসেবে জেলার ১৭টি থানায় মোবাইল ফোন হারানো সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরি (জিডি) পর্যালোচনা করা হয়। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার সমন্বয়ে পরিচালিত নিবিড় অনুসন্ধানের মাধ্যমে হারিয়ে যাওয়া ১০১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, “জনগণের হারানো সম্পদ উদ্ধার করে তাদের হাতে ফিরিয়ে দিতে পারা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ আধুনিক প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার সমন্বয়ে জনসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে কাজ করছে। হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধারে জেলা গোয়েন্দা শাখার এই সাফল্য জনগণের আস্থা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
তিনি আরও বলেন, “জনগণের জানমাল রক্ষা, হারানো সম্পদ উদ্ধার এবং প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশি সেবা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”
মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে উপকারভোগীরা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফিরে পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। পুলিশের আন্তরিক প্রচেষ্টায় তাদের মূল্যবান সম্পদ ফিরে পাওয়ায় তারা আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ।
অনুষ্ঠানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, গোয়েন্দা শাখার সদস্যবৃন্দ এবং মোবাইল ফোনের প্রকৃত মালিকরা উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রযুক্তিনির্ভর তদন্ত ও জনবান্ধব পুলিশি সেবার মাধ্যমে হারানো সম্পদ উদ্ধারে জেলা পুলিশের এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।






















