ঢাকা ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দূর্নীতি অনিয়মের পটুয়াখালী জেলা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।  ডা. মাহমুদা মিতু: চিকিৎসক থেকে জনমানুষের রাজনীতির অনুপ্রেরণা ফেক আইডি ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান, শাহবাগ থানায় জিডি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হক নুর, দক্ষতা উন্নয়ন ও বিদেশে কর্মসংস্থানে  টেকনাফে নৌবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৩০ কোটি টাকা মূল্যের মাদক  এবং বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার।  ৯৯৯ ফোন করে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান বোট উদ্ধার ও ১২ যাত্রীকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করলেন কোস্ট গার্ড। গণমাধ্যম সপ্তাহের শোভাযাত্রা আজ, সাংবাদিক নির্যাতন রোধে সুরক্ষা আইনের দাবি সাভার উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের নতুন কমিটি ঘোষণা: পহেলা মে দিবস শ্রমিক দলের অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার। কোস্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন সম্পন্ন। 

স্বেচ্ছাশ্রমে বিদ্যালয়ের পুকুরের কচুরিপানা অপসারণ

তৌহিদুর রহমান শেরপুর প্রতিনিধি-
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:২৯:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৪ ১১৯ বার পড়া হয়েছে

শেরপুরের ঝিনাইগাতী সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুরের কচুরিপানা অপসারণের উদ্যোগ নিয়েছে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য ও শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার ( ১৩ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পুকুরের কচুরিপানা অপসারণের কার্যক্রম শুরু করা হয়। এতে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জাহিদুল হক মনিরসহ, বিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, স্কাউট ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অর্ধশতাধিক মানুষ অংশ নেন। পুকুরের কচুরিপানা অপসারণের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল আলম রাসেল ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) অনিন্দিতা রানী ভৌমিক। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো. সৈয়দ আলী খান, শালচূড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. হারুন উর রশিদ, বণিক সমিতির সহসভাপতি মো. কামরুল হাসান প্রমুখ।স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী মাহী আলভী সোহান বলেন, আমি এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলাম। এ বিদ্যালয়ের মাঠে খেলাধূলা শেষে শিক্ষার্থীরা গোসল দিয়ে বাড়ি ফিরে যেতেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কচুরিপানা ও আশপাশের মানুষের গৃহস্থলি বিভিন্ন কাজের ময়লা-আর্বজনা এ পুকুরে ফেলায় পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তাই আমরা দলমত নির্বিশেষে সবাই এক সঙ্গে কচুরিপানা অপসারণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।শিক্ষার্থী আশিক শাহ বলেন, উপজেলার শহরের প্রাণ কেন্দ্রে উপস্থিত এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পুকুরটি কচুরিপানার কারণে পানি পচে দুর্গন্ধ ও মশা মাছির প্রজনন হচ্ছিল। আশা করছি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা শেষে পানি ব্যবহারের উপযোগী হবে। ফলে শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের উপকারে আসবে এ পুকুরের পানি।স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ভয়েস অব ঝিনাইগাতী’র প্রতিষ্ঠাতা ও ইউপি সদস্য মো. জাহিদুল হক মনির বলেন, প্রায় এক যুগ ধরে এ পুকুরের কচুরিপানা পরিষ্কার না করায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। তাই এটি পরিষ্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পরিষ্কার শেষে পুকুরের পানিতে শিক্ষার্থীসহ আশে-পাশের শিশুরা যাতে সাঁতার কাটতে পারে প্রশাসনের মাধ্যমে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বুধবার পুকুরের কচুরিপানা অপসারণ কার্যক্রমের শেষ হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম রাসেল বলেন, ‘প্রশাসন সবসময় ভালো কাজের সঙ্গে আছে। এ উপজেলার বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ পুকুরের কচুরিপানা অপসারণ করা হচ্ছে। এ কাজে অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য আমি দেখতে এসেছি এবং তাদের খোঁজ-খবর রাখছি।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

স্বেচ্ছাশ্রমে বিদ্যালয়ের পুকুরের কচুরিপানা অপসারণ

নিউজ প্রকাশের সময় : ০৮:২৯:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৪

শেরপুরের ঝিনাইগাতী সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের পুকুরের কচুরিপানা অপসারণের উদ্যোগ নিয়েছে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য ও শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার ( ১৩ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পুকুরের কচুরিপানা অপসারণের কার্যক্রম শুরু করা হয়। এতে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জাহিদুল হক মনিরসহ, বিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, স্কাউট ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অর্ধশতাধিক মানুষ অংশ নেন। পুকুরের কচুরিপানা অপসারণের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল আলম রাসেল ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) অনিন্দিতা রানী ভৌমিক। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) মো. সৈয়দ আলী খান, শালচূড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. হারুন উর রশিদ, বণিক সমিতির সহসভাপতি মো. কামরুল হাসান প্রমুখ।স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী মাহী আলভী সোহান বলেন, আমি এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলাম। এ বিদ্যালয়ের মাঠে খেলাধূলা শেষে শিক্ষার্থীরা গোসল দিয়ে বাড়ি ফিরে যেতেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কচুরিপানা ও আশপাশের মানুষের গৃহস্থলি বিভিন্ন কাজের ময়লা-আর্বজনা এ পুকুরে ফেলায় পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তাই আমরা দলমত নির্বিশেষে সবাই এক সঙ্গে কচুরিপানা অপসারণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।শিক্ষার্থী আশিক শাহ বলেন, উপজেলার শহরের প্রাণ কেন্দ্রে উপস্থিত এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পুকুরটি কচুরিপানার কারণে পানি পচে দুর্গন্ধ ও মশা মাছির প্রজনন হচ্ছিল। আশা করছি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা শেষে পানি ব্যবহারের উপযোগী হবে। ফলে শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের উপকারে আসবে এ পুকুরের পানি।স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ভয়েস অব ঝিনাইগাতী’র প্রতিষ্ঠাতা ও ইউপি সদস্য মো. জাহিদুল হক মনির বলেন, প্রায় এক যুগ ধরে এ পুকুরের কচুরিপানা পরিষ্কার না করায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। তাই এটি পরিষ্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পরিষ্কার শেষে পুকুরের পানিতে শিক্ষার্থীসহ আশে-পাশের শিশুরা যাতে সাঁতার কাটতে পারে প্রশাসনের মাধ্যমে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বুধবার পুকুরের কচুরিপানা অপসারণ কার্যক্রমের শেষ হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম রাসেল বলেন, ‘প্রশাসন সবসময় ভালো কাজের সঙ্গে আছে। এ উপজেলার বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ পুকুরের কচুরিপানা অপসারণ করা হচ্ছে। এ কাজে অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য আমি দেখতে এসেছি এবং তাদের খোঁজ-খবর রাখছি।’