ঢাকা ০২:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঢাকায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শনী প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ রাজধানীর চার আন্তঃনগর বাস টার্মিনাল শহরের বাইরে স্থানান্তরের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আমরা সিঙ্গাপুর বা কানাডা নয়, আরও ভালো বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি: দীর্ঘ সংঘাতের অবসানে ১৪ দফা সমঝোতা, বিশ্বজুড়ে স্বস্তি শেরপুর সদর হাসপাতালে আইসিইউ উদ্বোধন: প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন এমপি ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা নরসিংদীতে জেলা আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত আবু সাঈদ হ/ত্যা/ মা/ম/লা/র পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ পুলিশের বিশেষ অভিযানে, মাদক সহ আটক ২ যুবক দেয়াল নির্মাণে বাধা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, ৯৯৯-এ কল করে সহায়তা নিলেন জমির মালিক রাজাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ

কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রীর ব্যতিক্রমী উপস্থিতি: নিজেই গাড়ি চালিয়ে কর্মসূচিতে, দিনব্যাপী ব্যস্ত সফর

রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:০৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম

কক্সবাজার সফরে এসে এক ব্যতিক্রমী দৃশ্যের জন্ম দিলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান । বিমানবন্দরে অবতরণের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে পাশে বসিয়ে নিজেই গাড়ি চালিয়ে গন্তব্যে পৌঁছান তিনি। প্রধানমন্ত্রীর এমন ব্যতিক্রমী উপস্থিতি বিমানবন্দর এলাকায় উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করে।

শনিবার (১৩ জুন) সকালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। বিমানবন্দর থেকে বের হয়েই প্রধানমন্ত্রী চালকের আসনে বসেন এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাশে নিয়ে নিজেই গাড়ি চালিয়ে হিলটপ সার্কিট হাউসের উদ্দেশে রওনা হন।

বিমানবন্দরে এ সময় উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, শাহজাহান চৌধুরীসহ দলীয় নেতাকর্মী ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

হিলটপ সার্কিট হাউসে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালীর পাতলী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি পরিবেশ সংরক্ষণ, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে খাল পুনঃখননের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এ উপলক্ষে আয়োজিত পথসভায় স্থানীয় জনগণের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ারও কথা রয়েছে তার।

এরপর দুপুরের আগে তিনি চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে যান। সেখানে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে ‘সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং পার্কের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন। পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।

দুপুরে পেকুয়া উপজেলার মেহেরনামা মুরাপাড়ায় গিয়ে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে চট্টগ্রাম বিভাগের প্রথম শহীদ মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করেন তিনি। এ সময় শহীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের খোঁজখবর নেন এবং সমবেদনা জানান।

পরে নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন তিনি। স্থানীয় প্রশাসনিক উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা সম্প্রসারণে এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

জোহরের নামাজ আদায়ের পর পেকুয়ার সাঈদ ম্যানশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বাসভবনে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।

বিকেলে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। জনসভায় তিনি সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে গৃহীত বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

জনসভা শেষে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার শহরে ফিরে সমুদ্রসৈকত ও মেরিন ড্রাইভ এলাকা পরিদর্শন করেন। পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তিনি।

সফরের শেষ পর্যায়ে রাত ৮টায় কক্সবাজারের লং বিচ হোটেল অডিটোরিয়ামে জেলার বিশিষ্ট নাগরিক, পেশাজীবী, ব্যবসায়ী ও সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সভায় কক্সবাজারের উন্নয়ন, পর্যটন সম্ভাবনা এবং স্থানীয় সমস্যা-সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।

সব কর্মসূচি শেষে রাত ৯টায় সপরিবারে বিমানযোগে কক্সবাজার ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে কক্সবাজার জেলাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রীর ব্যতিক্রমী উপস্থিতি: নিজেই গাড়ি চালিয়ে কর্মসূচিতে, দিনব্যাপী ব্যস্ত সফর

নিউজ প্রকাশের সময় : ০১:০৫:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম

কক্সবাজার সফরে এসে এক ব্যতিক্রমী দৃশ্যের জন্ম দিলেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান । বিমানবন্দরে অবতরণের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে পাশে বসিয়ে নিজেই গাড়ি চালিয়ে গন্তব্যে পৌঁছান তিনি। প্রধানমন্ত্রীর এমন ব্যতিক্রমী উপস্থিতি বিমানবন্দর এলাকায় উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করে।

শনিবার (১৩ জুন) সকালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জোবাইদা রহমান এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। বিমানবন্দর থেকে বের হয়েই প্রধানমন্ত্রী চালকের আসনে বসেন এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাশে নিয়ে নিজেই গাড়ি চালিয়ে হিলটপ সার্কিট হাউসের উদ্দেশে রওনা হন।

বিমানবন্দরে এ সময় উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, শাহজাহান চৌধুরীসহ দলীয় নেতাকর্মী ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

হিলটপ সার্কিট হাউসে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালীর পাতলী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি পরিবেশ সংরক্ষণ, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে খাল পুনঃখননের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এ উপলক্ষে আয়োজিত পথসভায় স্থানীয় জনগণের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ারও কথা রয়েছে তার।

এরপর দুপুরের আগে তিনি চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে যান। সেখানে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে ‘সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন এবং পার্কের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন। পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।

দুপুরে পেকুয়া উপজেলার মেহেরনামা মুরাপাড়ায় গিয়ে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে চট্টগ্রাম বিভাগের প্রথম শহীদ মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করেন তিনি। এ সময় শহীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের খোঁজখবর নেন এবং সমবেদনা জানান।

পরে নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে নবগঠিত পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন তিনি। স্থানীয় প্রশাসনিক উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা সম্প্রসারণে এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

জোহরের নামাজ আদায়ের পর পেকুয়ার সাঈদ ম্যানশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বাসভবনে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।

বিকেলে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। জনসভায় তিনি সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে গৃহীত বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

জনসভা শেষে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার শহরে ফিরে সমুদ্রসৈকত ও মেরিন ড্রাইভ এলাকা পরিদর্শন করেন। পর্যটন শিল্পের বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তিনি।

সফরের শেষ পর্যায়ে রাত ৮টায় কক্সবাজারের লং বিচ হোটেল অডিটোরিয়ামে জেলার বিশিষ্ট নাগরিক, পেশাজীবী, ব্যবসায়ী ও সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সভায় কক্সবাজারের উন্নয়ন, পর্যটন সম্ভাবনা এবং স্থানীয় সমস্যা-সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।

সব কর্মসূচি শেষে রাত ৯টায় সপরিবারে বিমানযোগে কক্সবাজার ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে ঘিরে কক্সবাজার জেলাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা