হিংসা নয়, সহানুভূতি—এগিয়ে চলার বার্তা দিলেন চন্দ্রা সরকার

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৯:৩৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ১০ বার পড়া হয়েছে

রিপোর্টার রফিকুল ইসলাম
সমাজে সফল ও ইতিবাচক মানুষদের নিয়ে নানা ধরনের সমালোচনা ও হিংসা-বিদ্বেষের ঘটনা নতুন নয়। তবে এসব নেতিবাচক মনোভাবকে উপেক্ষা করে আত্মবিশ্বাস ও মানবিকতার সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চন্দ্রা সরকার।
সম্প্রতি এক বক্তব্যে তিনি বলেন, যারা তাকে নিয়ে হিংসা করেন, তাদের প্রতি রাগ বা ক্ষোভ নয়, বরং একটি মুচকি হাসিই তার জবাব। তার মতে, হিংসা আসলে মানুষের নিজের দুর্বলতা ও অপূর্ণতার বহিঃপ্রকাশ।
চন্দ্রা সরকার বলেন, “আমার সাফল্য, আমার এগিয়ে যাওয়া, আমার হাসিমুখ কিংবা সাধারণ কোনো অর্জনও হয়তো কারও কাছে অনেক বড় কিছু, যা তারা নিজেরা অর্জন করতে পারেনি। তাই তারা আমাকে ছোট করে নিজেদের বড় প্রমাণ করার চেষ্টা করে।”
তিনি আরও বলেন, হিংসুক মানুষ আসলে অন্যের গুণের চেয়ে নিজের খামতিগুলোই বেশি অনুভব করে। এ কারণে তারা অন্যের সাফল্যে আনন্দিত না হয়ে ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়ে।
নিজের বক্তব্যে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরে বলেন, “মানুষ সাধারণত তার চেয়ে এগিয়ে থাকা মানুষকেই হিংসা করে। কেউ যদি আপনাকে নিয়ে হিংসা করে, তাহলে বুঝতে হবে আপনি ইতোমধ্যেই তার চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে আছেন।”
চন্দ্রা সরকারের মতে, মানুষের ভেতরের আলো, যোগ্যতা ও সাফল্য আসে কঠোর পরিশ্রম এবং আত্মনিবেদনের মাধ্যমে। তাই অন্যের হিংসার কারণে নিজের আত্মবিশ্বাস বা ইতিবাচকতা কখনো হারানো উচিত নয়।
তিনি একটি প্রবাদ উল্লেখ করে বলেন, “হাতি যখন চলে, তখন পেছনে অনেক কিছু ডেকে ওঠে। কিন্তু হাতি তার আপন গতিতে এগিয়ে যায়।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চান যে, সমালোচনা ও হিংসা জীবনের স্বাভাবিক অংশ হলেও লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত না হয়ে নিজের পথে এগিয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
সবশেষে চন্দ্রা সরকার বলেন, যারা তাকে নিয়ে হিংসা করেন, তাদের প্রতিও তার কোনো বিদ্বেষ নেই। বরং তিনি মনে করেন, এ ধরনের মানুষ ভেতরে ভেতরে অশান্তিতে ভোগেন। তাই তাদের প্রতি ক্ষোভ নয়, সহানুভূতি দেখানোই শ্রেয়।
তিনি সবার উদ্দেশে বলেন, “ভালো থাকুক আমাকে নিয়ে হিংসা করা মানুষগুলোও। তাদের জন্য আমার আন্তরিক দোয়া ও শুভকামনা রইল

















