শেরপুরে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’ অনুষ্ঠিত

- নিউজ প্রকাশের সময় : ০৬:৪১:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

ফয়সাল হোসেন, শেরপুর প্রতিনিধি:
তরুণ প্রজন্মের বিজ্ঞানমনস্কতা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা বিকাশের লক্ষ্যে শেরপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’। অনুষ্ঠানে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন উদ্ভাবনী ধারণা, বিজ্ঞানভিত্তিক প্রকল্প ও সৃজনশীল উদ্যোগ উপস্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুরের সংসদ সদস্য ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা। তিনি শিক্ষার্থীদের প্রদর্শিত বিভিন্ন প্রকল্প ঘুরে দেখেন এবং তাদের উদ্ভাবনী প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা বলেন, “স্মার্ট ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীলতা, গবেষণামুখী চিন্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতার কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তাকে বাস্তবমুখী উদ্যোগে রূপ দিতে হবে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির চর্চা যত বৃদ্ধি পাবে, দেশ তত এগিয়ে যাবে।”
তিনি আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানে সীমাবদ্ধ না থেকে গবেষণা, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ হতে হবে। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করবে এবং ভবিষ্যতের উদ্যোক্তা ও বিজ্ঞানী তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.বি.এম. মামুনুর রশিদ পলাশ। তিনি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের উদ্যোগ আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেরপুর সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা বিনতে রফিক। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতাকে বিকশিত করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
দিনব্যাপী এই শোকেসিং প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীরা পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি, কৃষি উদ্ভাবন, স্বাস্থ্যসেবা, রোবোটিক্স, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সামাজিক সমস্যার সমাধানভিত্তিক বিভিন্ন প্রকল্প উপস্থাপন করে। উপস্থিত অতিথিরা এসব প্রকল্প পরিদর্শন করে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান করেন।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অতিথিদের মধ্যে সনদপত্র এবং সম্মাননা স্মারক বিতরণ করা হয়। স্থানীয় শিক্ষাবিদ, অভিভাবক, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনভিত্তিক এই আয়োজন শেরপুরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।





















