ঢাকা ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সিঙ্গাপুর থেকে মালয়েশিয়ায় মির্জা আব্বাস, শারীরিক অবস্থার উন্নতি মানবিক আবেদনঃ এক পায়ে জীবনযুদ্ধ- সাংবাদিক নেতা মোঃ মতিউর রহমানের পাশে দাঁড়ান স্বাগত বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ নিরাপদ হোক সকলের জীবন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে কঠোর লড়াই: তিন দিনে ১২০০-এর বেশি ফরম বিক্রি, মনোনয়ন জমা ৯ শতাধিক গত ৮ বছর পূর্বে নির্মিত ট্রমা সেন্টারটি চালু হওয়ার ব্যাপারে দ্রুত সংসদে আলোচনা করবো- এমপি শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ  বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন শুরু, ফরম নিলেন কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন মুন্সিগঞ্জের মোল্লা কান্দি ইউনিয়নে নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বাড়িঘর ভাঙচুর সহ অর্থ লোপাটের অভিযোগ উঠেছে।  জাতীয় প্রেস কাউন্সিলকে শক্তিশালী করতে বহুমুখী উদ্যোগ সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে অ্যাডভোকেট আজমিরি বেগম ছন্দা বাংলাদেশ নারকোটিকস কন্ট্রোল সার্ভিস এসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হলেন রাজিউর রহমান

৪০ বছরের নিবেদিত সেবায় গড়ে তুলেছেন হাজারো শিক্ষার্থী:ক্বারী মো:আবুল হাছান

রিপোর্টার:-মোঃআনজার শাহ
  • নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:৪৭:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫ ১২৯ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘ চার দশকের গৌরবোজ্জ্বল শিক্ষকতা জীবন শেষে আজ বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর ২০২৫) আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর গ্রহণ করলেন সোনাই মুড়ী ফাজিল (স্নাতক) ডিগ্রী মাদ্রাসার সম্মানিত শিক্ষক জনাব মোঃ আবুল হাছান ক্বারী সাহেব। মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োजিত এক বিদায়ী অনুষ্ঠানে তাঁকে সংবর্ধনা জানানো হয় এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আবেগঘন পরিবেশে তাঁকে বিদায় জানান।

নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকের অবদান,১৯৮৫ সাল থেকে শুরু হওয়া তাঁর শিক্ষকতা জীবনে মোঃ আবুল হাছান ক্বারী সাহেব হাজারো শিক্ষার্থীকে ইসলামী শিক্ষা ও জীবনাদর্শে উদ্বুদ্ধ করেছেন। কুরআন তিলাওয়াত ও তাজবীদ শিক্ষায় তাঁর অসাধারণ পারদর্শিতা এবং আন্তরিক শিক্ষাদানের জন্য তিনি এলাকাজুড়ে ব্যাপকভাবে সম্মানিত।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বলেন, “মোঃ আবুল হাছান ক্বারী সাহেব শুধু একজন শিক্ষক ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমাদের অভিভাবক, পথপ্রদর্শক। চার দশক ধরে তিনি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে ছাত্রদের শিক্ষা দিয়েছেন। তাঁর শূন্যতা পূরণ করা কঠিন হবে।”

আবেগঘন বিদায় অনুষ্ঠান,বিদায়ী অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারী, প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ দোয়া মাহফিল, ক্বারী সাহেবের স্মৃতিচারণ এবং সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে মোঃ আবুল হাছান ক্বারী সাহেব বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ তায়ালা আমাকে ৪০ বছর এই পবিত্র পেশায় সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন। আমার ছাত্ররাই আমার সম্পদ, আমার গর্ব। আমি দোয়া করি তারা সবাই দ্বীন ও দুনিয়ায় সফল হোক।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষকতা শুধু একটি পেশা নয়, এটি আমানত। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে সঠিক পথে পরিচালিত করা আমাদের দায়িত্ব। আল্লাহ যেন আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা কবুল করেন।”

শিক্ষার্থীদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা,বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রাক্তন শিক্ষার্থী মাওলানা মাসুদ আলম বলেন, “হুজুর শুধু আমাদের শিক্ষক ছিলেন না, তিনি ছিলেন পিতার মতো। তাঁর কাছ থেকে আমরা কুরআন তিলাওয়াত শিখেছি, জীবনের মূল্যবোধ শিখেছি। আজ তাঁকে বিদায় জানাতে গিয়ে আমাদের চোখে জল এসে যাচ্ছে।”

মাদ্রাসার বর্তমান ছাত্র হাফেজ মুহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, “হুজুর আমাদের মাঝে থাকবেন না, এটা ভাবতেই কষ্ট লাগছে। তিনি শুধু পড়াতেন না, আমাদের ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষা দিতেন। আমরা হুজুরের জন্য দোয়া করব সবসময়।”

সম্মাননা ও উপহার প্রদান,অনুষ্ঠানে মাদ্রাসা কমিটির পক্ষ থেকে মোঃ আবুল হাছান ক্বারী সাহেবকে বিশেষ সম্মাননা স্মারক, ক্রেস্ট এবং উপহার প্রদান করা হয়। শিক্ষক-কর্মচারীরা তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে সংবর্ধনা জানান।

মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি বলেন, “ক্বারী সাহেবের মতো নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক পাওয়া দুর্লভ। তিনি শুধু শিক্ষা দেননি, প্রজন্মের পর প্রজন্ম গড়ে তুলেছেন। তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।”

অবসর জীবনে শুভকামনা,বিদায়ী অনুষ্ঠানে সকলে মোঃ আবুল হাছান ক্বারী সাহেবের সুস্থ, সুন্দর ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত আলেম-ওলামা ও শিক্ষকরা বলেন, “হুজুরের অবসর জীবন যেন আল্লাহর রহমত ও বরকতে ভরপুর হয়, তিনি যেন সুস্থতার সঙ্গে ইবাদত-বন্দেগিতে সময় কাটাতে পারেন—এই প্রার্থনা আমাদের সবার।”

মাদ্রাসার শিক্ষক জনাব ইয়াসিন মাস্টার বলেন, “ক্বারী সাহেব আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা। তাঁর কাছ থেকে আমরা শিখেছি কীভাবে ধৈর্য, ভালোবাসা এবং আন্তরিকতা দিয়ে ছাত্রদের শিক্ষা দিতে হয়। তাঁর শিক্ষা আমরা বহন করব সারাজীবন।”

এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া,সোনাই মুড়ী এলাকার বাসিন্দারাও ক্বারী সাহেবের অবসর গ্রহণে আবেগ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল বাশার বলেন, “মোঃ আবুল হাছান ক্বারী সাহেব শুধু একজন শিক্ষক নন, তিনি এলাকার সম্পদ। তিনি আমাদের সন্তানদের ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন। আল্লাহ তাঁকে জাযায়ে খায়ের দান করুন।”

শিক্ষা জীবনের মূল্যায়ন,মোঃ আবুল হাছান ক্বারী সাহেব ১৯৮৫ সালে সোনাই মুড়ী ফাজিল (স্নাতক) ডিগ্রী মাদ্রাসায় যোগদান করেন এবং দীর্ঘ ৪০ বছর নিরলস পরিশ্রম ও একনিষ্ঠতার সঙ্গে শিক্ষকতা করেছেন। তাঁর তিলাওয়াতের সুমধুর আওয়াজ এবং তাজবীদে পারদর্শিতার জন্য তিনি ‘ক্বারী সাহেব’ নামে পরিচিত ও সম্মানিত।

তাঁর গড়ে তোলা শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিন, মাদ্রাসা শিক্ষক এবং ইসলামী দাঈ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

পরিশেষে,চার দশকের গৌরবময় শিক্ষকতা জীবন শেষে অবসর গ্রহণ করলেও মোঃ আবুল হাছান ক্বারী সাহেবের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর হাতে গড়া হাজারো শিক্ষার্থী তাঁর আদর্শ বহন করবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম।

সকলের প্রার্থনা—আল্লাহ তায়ালা তাঁকে দীর্ঘায়ু, সুস্থতা ও বরকতময় অবসর জীবন দান করুন। আমিন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

৪০ বছরের নিবেদিত সেবায় গড়ে তুলেছেন হাজারো শিক্ষার্থী:ক্বারী মো:আবুল হাছান

নিউজ প্রকাশের সময় : ১০:৪৭:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

দীর্ঘ চার দশকের গৌরবোজ্জ্বল শিক্ষকতা জীবন শেষে আজ বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর ২০২৫) আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর গ্রহণ করলেন সোনাই মুড়ী ফাজিল (স্নাতক) ডিগ্রী মাদ্রাসার সম্মানিত শিক্ষক জনাব মোঃ আবুল হাছান ক্বারী সাহেব। মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োजিত এক বিদায়ী অনুষ্ঠানে তাঁকে সংবর্ধনা জানানো হয় এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আবেগঘন পরিবেশে তাঁকে বিদায় জানান।

নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকের অবদান,১৯৮৫ সাল থেকে শুরু হওয়া তাঁর শিক্ষকতা জীবনে মোঃ আবুল হাছান ক্বারী সাহেব হাজারো শিক্ষার্থীকে ইসলামী শিক্ষা ও জীবনাদর্শে উদ্বুদ্ধ করেছেন। কুরআন তিলাওয়াত ও তাজবীদ শিক্ষায় তাঁর অসাধারণ পারদর্শিতা এবং আন্তরিক শিক্ষাদানের জন্য তিনি এলাকাজুড়ে ব্যাপকভাবে সম্মানিত।

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বলেন, “মোঃ আবুল হাছান ক্বারী সাহেব শুধু একজন শিক্ষক ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমাদের অভিভাবক, পথপ্রদর্শক। চার দশক ধরে তিনি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে ছাত্রদের শিক্ষা দিয়েছেন। তাঁর শূন্যতা পূরণ করা কঠিন হবে।”

আবেগঘন বিদায় অনুষ্ঠান,বিদায়ী অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারী, প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ দোয়া মাহফিল, ক্বারী সাহেবের স্মৃতিচারণ এবং সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে মোঃ আবুল হাছান ক্বারী সাহেব বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ তায়ালা আমাকে ৪০ বছর এই পবিত্র পেশায় সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন। আমার ছাত্ররাই আমার সম্পদ, আমার গর্ব। আমি দোয়া করি তারা সবাই দ্বীন ও দুনিয়ায় সফল হোক।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষকতা শুধু একটি পেশা নয়, এটি আমানত। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে সঠিক পথে পরিচালিত করা আমাদের দায়িত্ব। আল্লাহ যেন আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা কবুল করেন।”

শিক্ষার্থীদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা,বিদায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রাক্তন শিক্ষার্থী মাওলানা মাসুদ আলম বলেন, “হুজুর শুধু আমাদের শিক্ষক ছিলেন না, তিনি ছিলেন পিতার মতো। তাঁর কাছ থেকে আমরা কুরআন তিলাওয়াত শিখেছি, জীবনের মূল্যবোধ শিখেছি। আজ তাঁকে বিদায় জানাতে গিয়ে আমাদের চোখে জল এসে যাচ্ছে।”

মাদ্রাসার বর্তমান ছাত্র হাফেজ মুহাম্মদ ইব্রাহীম বলেন, “হুজুর আমাদের মাঝে থাকবেন না, এটা ভাবতেই কষ্ট লাগছে। তিনি শুধু পড়াতেন না, আমাদের ভালো মানুষ হওয়ার শিক্ষা দিতেন। আমরা হুজুরের জন্য দোয়া করব সবসময়।”

সম্মাননা ও উপহার প্রদান,অনুষ্ঠানে মাদ্রাসা কমিটির পক্ষ থেকে মোঃ আবুল হাছান ক্বারী সাহেবকে বিশেষ সম্মাননা স্মারক, ক্রেস্ট এবং উপহার প্রদান করা হয়। শিক্ষক-কর্মচারীরা তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে সংবর্ধনা জানান।

মাদ্রাসা কমিটির সভাপতি বলেন, “ক্বারী সাহেবের মতো নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক পাওয়া দুর্লভ। তিনি শুধু শিক্ষা দেননি, প্রজন্মের পর প্রজন্ম গড়ে তুলেছেন। তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।”

অবসর জীবনে শুভকামনা,বিদায়ী অনুষ্ঠানে সকলে মোঃ আবুল হাছান ক্বারী সাহেবের সুস্থ, সুন্দর ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত আলেম-ওলামা ও শিক্ষকরা বলেন, “হুজুরের অবসর জীবন যেন আল্লাহর রহমত ও বরকতে ভরপুর হয়, তিনি যেন সুস্থতার সঙ্গে ইবাদত-বন্দেগিতে সময় কাটাতে পারেন—এই প্রার্থনা আমাদের সবার।”

মাদ্রাসার শিক্ষক জনাব ইয়াসিন মাস্টার বলেন, “ক্বারী সাহেব আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা। তাঁর কাছ থেকে আমরা শিখেছি কীভাবে ধৈর্য, ভালোবাসা এবং আন্তরিকতা দিয়ে ছাত্রদের শিক্ষা দিতে হয়। তাঁর শিক্ষা আমরা বহন করব সারাজীবন।”

এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া,সোনাই মুড়ী এলাকার বাসিন্দারাও ক্বারী সাহেবের অবসর গ্রহণে আবেগ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল বাশার বলেন, “মোঃ আবুল হাছান ক্বারী সাহেব শুধু একজন শিক্ষক নন, তিনি এলাকার সম্পদ। তিনি আমাদের সন্তানদের ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন। আল্লাহ তাঁকে জাযায়ে খায়ের দান করুন।”

শিক্ষা জীবনের মূল্যায়ন,মোঃ আবুল হাছান ক্বারী সাহেব ১৯৮৫ সালে সোনাই মুড়ী ফাজিল (স্নাতক) ডিগ্রী মাদ্রাসায় যোগদান করেন এবং দীর্ঘ ৪০ বছর নিরলস পরিশ্রম ও একনিষ্ঠতার সঙ্গে শিক্ষকতা করেছেন। তাঁর তিলাওয়াতের সুমধুর আওয়াজ এবং তাজবীদে পারদর্শিতার জন্য তিনি ‘ক্বারী সাহেব’ নামে পরিচিত ও সম্মানিত।

তাঁর গড়ে তোলা শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিন, মাদ্রাসা শিক্ষক এবং ইসলামী দাঈ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

পরিশেষে,চার দশকের গৌরবময় শিক্ষকতা জীবন শেষে অবসর গ্রহণ করলেও মোঃ আবুল হাছান ক্বারী সাহেবের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর হাতে গড়া হাজারো শিক্ষার্থী তাঁর আদর্শ বহন করবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম।

সকলের প্রার্থনা—আল্লাহ তায়ালা তাঁকে দীর্ঘায়ু, সুস্থতা ও বরকতময় অবসর জীবন দান করুন। আমিন।